TMC : দোতলা তিনতলা বাড়ির মালিককে আবাসের বাড়ি! বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূল নেতার – bankura tmc inner clash party leader raised allegation against anchal president


Bankura News : শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের যেন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে সিমলাপাল (Simlapal)। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan mantri awas yojana) নিয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে হাজারো অভিযোগের মাঝে এবার হাঁটে হাঁড়ি ভেঙেছেন বাঁকুড়ার (Bankura) জঙ্গলমহলের এক তৃণমূল নেতা তথা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। নিজেকে সিমলাপালের (Simlapal) মাচাতোড়া অঞ্চল তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য দাবি করে পিনাকী রঞ্জন মহান্তী বলেন, “সামনে ভোট, আমরা সব কিছু বলতে পারছি না। দলের উচ্চ নেতৃত্বকে সবকিছু জানাতে চাই। মাচাতোড়া তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি শিশির কুমার সৎপতি ‘দুর্নীতিতে যুক্ত’। এমনকি গরিব মানুষদের বঞ্চিত করে দোতলা তিনতলা বাড়ির মালিককে সরকারী আবাস যোজনার বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা ওই অঞ্চল সভাপতি করেছেন”। এমনটাই দাবি করেছেন তিনি।

TMC : দলীয় ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ সভাপতির! ক্ষোভে পার্টি অফিসে তালা কর্মীদের, প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব
আর বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আসরে নেমে পড়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল BJP। তৃণমূলের জন্য এটা নতুন কোনও বিষয় নয়, দাবি BJP-র। দলের সিমলাপাল মণ্ডল-১ সভাপতি আলোক মহান্তী এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন, “শুধু মাচাতোড়া বা সিমলাপাল নয়, রাজ্যে যতগুলি পঞ্চায়েত আছে সব কটিতেই তৃণমূলের নেতারা দোতলা বাড়ির মালিক, বা চার চাকা গাড়ির মালিক হলেও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি পেয়েছেন। এখন তৃণমূলের কেউ কেউ বললেও বিষয়টি আমরা আগে থেকেই বলে আসছি”। এই প্রসঙ্গে সিমলাপাল ব্লক তৃণমূল সভাপতি ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেছেন, “ওই বিষয়ে কারোর কোনও অভিযোগ থাকলে দলকে, গ্রাম পঞ্চায়েতে বা BDO-কে জানাতে পারেন”। কিন্তু তিনি জানাচ্ছেন না কেন এই প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি দলীয় পদাধিকারী থেকে বিধায়ককে তো জানাতে পারতেন। দলীয় অনুশাসন না মানলে দল সেই নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে”।

TMC : ‘ঘাড় ধরে বিতাড়িত করা হবে’! প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে পুলিশ আধিকারিককে হুমকি তৃণমূল বিধায়কের
উল্লেখ্য, গতকাল রবিবারই মাচাতোড়া অঞ্চল তৃণমূল (Trinamool Congress) কার্যালয় ভাঙচুরের পাশাপাশী দলীয় কার্যালয়ে তালাও লাগিয়ে দেন কিছু বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মী। তাঁদেরও অভিযোগ ছিল তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি শিশির কুমার সৎপতির বিরুদ্ধে। দলীয় পতাকা, ফ্ল্যাগ, ফেস্টুন হাতে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ ছিল, সভাপতি শিশির সৎপতি ‘দলীয় ফাণ্ডের টাকা আত্মসাৎ’ করেছেন। তার পাশাপাশি ওনার জন্যই পঞ্চায়েতে হোমিওপ্যাথি ডাক্তার নিয়োগ হয়নি, প্রকৃত উপভোক্তারা সরকারী প্রকল্পে বাড়ি পাননি। পরে ‘আয় ব্যায়ের হিসাব’-এর সভায় সভাপতি উপস্থিত থাকেননি বলেও অভিযোগ ওঠে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাঁকুড়া জেলা তৃনমুলের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দিব্যেন্দু সিংহ মহাপাত্রের খাস তালুক হল এই সিমলাপাল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *