West Bengal Latest News : বাংলা মাধ্যমে পড়েই বাজিমাত, বিশ্বদরবারে স্বীকৃতি প্রাক্তন মন্ত্রীর কন্যা কোয়েনার – raiganj resident dr koena mukherjee wins award in a india france conference as scientist


বিশ্বের দরবারে ফের বাঙালির জয়গান। আন্তর্জাতিক পরিসরে বৃহত্তর স্বীকৃতি পেলেন রায়গঞ্জের (Raiganj News) বাসিন্দা ড: কোয়েনা মুখোপাধ্যায় (Dr Koena Mukherjee)। রায়গঞ্জের কৃতী ছাত্রী বাংলা তথা দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন তাঁর প্রতিভা দিয়ে। ফ্রেঞ্চ ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্টে আয়োজিত ভারত-ফ্রান্স কনফারেন্সে প্রথম দশ জন মহিলা বিজ্ঞানীর মধ্যে সন্মানিত হয়েছেন তিনি। রায়গঞ্জ শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অধ্যাপক ড: শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়ের সন্তান কোয়েনা। তাঁর মা ইটাহার মেঘনাদ সাহা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষা স্বপ্না মুখোপাধ্যায়। বাংলা মাধ্যমেই কোয়েনার পড়াশোনা। তিনি শিক্ষা জীবন শুরু করেছিলেন রায়গঞ্জ গার্লস হাইস্কুলে। এরপর রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালান মেধাবী এই ছাত্রী। উচ্চশিক্ষার জন্য প্রথমে হলদিয়া এবং পরে দিল্লি IIT-তে পড়াশোনা করার পর শিলচর NIT-তে অ্যাসোসিয়েট প্রোফেসর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। গত কয়েকমাস আগেই বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সঙ্গে বিশেষ স্বীকৃতি পান কোয়েনা। এরপর ফের একবার আন্তর্জাতিক সন্মান পেলেন তিনি। তাঁর এই সাফল্যে আপ্লুত রায়গঞ্জবাসী। কোয়েনা জানান, তিনি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড মেরিন রোবোটিক্স নিয়ে কাজ করছেন।

Raiganj News: অ্যাম্বুল্যান্সের অপেক্ষা না করে নিজেই বাইক ছুটিয়ে হাসপাতালে, তবু শেষ রক্ষা হল না
সোমবার কোয়েনার বাড়িতে যান রায়গঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত। তিনি এই কৃতীকে সম্মান জানান। কোয়েনার এই সাফল্যে গর্বিত বাবা ড: শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি বাংলা মাধ্যমে সন্তানদের পড়ালেও তাঁরা যে সাফল্য ছুঁতে পারে, এদিন সেই বার্তা দিতেই শোনা যায় তাঁকে। ড: কোয়েনা মুখোপাধ্যায় বলেন, “কিছুদিন আগেই ভারত এবং ফ্রান্সের একটি কনফারেন্স ছিল। সেখানে আমাকে প্রথম দশজন মহিলা বিজ্ঞানীর মধ্যে আমাকে সম্মানিত করা হয়। আমি মূলত মেরিন রোবটিক্সের উপর কাজ করি। এরই ভিত্তিতে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। আমার মা, বাবা, সমস্ত শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য।”

Uttar Dinajpur News : স্বাদ আপেল-কমলালেবুর মতো! সরস্বতীর পুজোয় চর্চায় জিতেনের চাষ করা কুল
ড: শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়ের বলেন, “আমার দুই মেয়েই বাংলা মিডিয়ামে পড়েছে। কোন ভাষায় পড়ছে তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনেকেই এখন বাংলা মিডিয়াম ছেড়ে ইংরেজি মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে। কোয়েনা তাঁদের জন্য অন্যতম বড় উদাহারণ যে বিষয়টি বোঝাই আসল। রায়গঞ্জ স্কুলকে ধন্যবাদ। ভাষা এক্ষেত্রে আসল নয়। বিষয়বস্তুর গভীরতা বোঝাই আসল। বাবা হিসেবে মেয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বিত। তবে ওর বড় হয়ে ওঠার নেপথ্যে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর দেখানো পথেই কোয়েনা বরাবর হেঁটেছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *