এই ভাইরাল মেসেজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিধায়ক অসিত মজুমদারের অভিযোগ, ”এটা বিজেপির কাজ।” এখানেই শেষ নয় তিনি বলেন, ”সুপর্ণা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কিছুই জানেনা শুধু ফোন ধরতে আর ছাড়তেই জানে। ওর ফোনে এই মেসেজটা হয়তো ছিল সেটা ফরোয়ার্ড হয়ে গিয়েছে। এটা ভুলবশত হয়ে থাকবে। সুপর্ণা এরকম মেয়েই নয়। এটা পুরোনো মদ নতুন বোতলে ঢেলে কেউ কেউ এগুলো করছে। আসলে এটা দেখতে হবে যে মেসেজটা কে প্রথম লিখল। এর আগেও এক মহিলা আমাকে ফোন করে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করেছিল। পুলিশকে বলেছি, সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ করেছি। ধরতে পারছে না। আমার ফ্যান ক্লাবের নামে একটা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চলে। এটা কে চালাচ্ছে, কারা চালাচ্ছে কিছু জানতে পারছে না পুলিশ। সেখানে আজেবাজে পোস্ট করছে। দুদিন আগে একটা করেছে রক দাস নামে একজন। তার নম্বর আমার কাছে আছে। ওই নম্বরে ফোন করলে কোনও উত্তর পাওয়া যায় না। তার মানে যখন বদমাইশি করে এসব ছাড়ে, ছেড়েই ফোন বন্ধ করে দেয়।”
একইসঙ্গে তৃণমূল বিধায়কের দাবি, ”পুকুর ভরাট গাছ কাটা রুখেছি আমি। তোলাবাজি রুখেছি আমি। আর বলছে পুকুর ভরাট করেছি আমি! আসলে যারা এসব করে তাদের সঙ্গে বিজেপি মিলে এসব করছে। আমি এসব কেয়ার করি না।”
এই গোটা ঘটনা নিয়ে বিরোধীদের নিশানায় তৃণমূল বিধায়ক। তাদের দাবি, আগে আমরা বলতাম এখন তৃণমূলের লোকও একই কথা বলছে। বিজেপি হুগলি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, ”চুঁচুড়ায় পুকুর ভরাট হয়েছে এটা তো আমরা আগে থেকেই বলেছি। এখন তার দলের লোকেরা বলছে। ঘটনা যে সত্যি তা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা তদন্ত চাই।”
