West Bengal Local News: ফের শিরোনামে চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক। বিতর্কের সঙ্গে যেন সমার্থক হয়ে গিয়েছে অসিত মজুমদারের নাম। পা টেপানোর ছবির পর এবার ভাইরাল হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ! আবারও চর্চায় চুঁচুড়ার বিধায়ক। গত কয়েক দিন আগে সমাজ মাধ্যমে একটি ছবি ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায় দেবানন্দপুরের তৃণমূল নেত্রী অসিত মজুমদারের পা টিপছেন। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু শাসক বিরোধী তরজা।

জানা গিয়েছে, ওই ভিডিয়োর পর সোশাল মিডিয়ায় এবার ভাইরাল একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ। তাতে ওই তৃণমূল বিধায়ক ও হুগলি চুঁচুড়া পুরসভা প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে কাটমানিখোর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে জলাজমি ও পু্কুর বুজিয়ে কোটি কোটি টাকা তোলা এবং এক প্রমোটারের থেকে দু কোটি টাকার ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগ তোলা হয়েছে। মেসেজে দাবি করা হয়েছে, ইডি সিবিআইয়ের নজরে থাকা বিধায়ককে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হয়েছে। ‘দুয়ারে দুয়ারে সরকার’ নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এই মেসেজ ফরওয়ার্ড করেন হুগলি চুঁচুড়া পুরসভার নয় নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুপর্ণা সেন। যদিও মেসেজ সম্পর্কে তৃণমূল কাউন্সিলরকে প্রশ্ন করা হলে কিছু বলতে রাজি হননি।

TMC : ক্লান্ত তৃণমূল বিধায়কের পা টিপছেন পঞ্চায়েত সদস্যা! ভাইরাল ছবি ঘিরে হুগলিতে শোরগোল

এই ভাইরাল মেসেজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিধায়ক অসিত মজুমদারের অভিযোগ, ”এটা বিজেপির কাজ।” এখানেই শেষ নয় তিনি বলেন, ”সুপর্ণা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কিছুই জানেনা শুধু ফোন ধরতে আর ছাড়তেই জানে। ওর ফোনে এই মেসেজটা হয়তো ছিল সেটা ফরোয়ার্ড হয়ে গিয়েছে। এটা ভুলবশত হয়ে থাকবে। সুপর্ণা এরকম মেয়েই নয়। এটা পুরোনো মদ নতুন বোতলে ঢেলে কেউ কেউ এগুলো করছে। আসলে এটা দেখতে হবে যে মেসেজটা কে প্রথম লিখল। এর আগেও এক মহিলা আমাকে ফোন করে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করেছিল। পুলিশকে বলেছি, সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ করেছি। ধরতে পারছে না। আমার ফ্যান ক্লাবের নামে একটা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চলে। এটা কে চালাচ্ছে, কারা চালাচ্ছে কিছু জানতে পারছে না পুলিশ। সেখানে আজেবাজে পোস্ট করছে। দুদিন আগে একটা করেছে রক দাস নামে একজন। তার নম্বর আমার কাছে আছে। ওই নম্বরে ফোন করলে কোনও উত্তর পাওয়া যায় না। তার মানে যখন বদমাইশি করে এসব ছাড়ে, ছেড়েই ফোন বন্ধ করে দেয়।”

Hiran Chatterjee: ‘অভিষেক দরজা খুললে তবে তো হিরণ আসবেন,’ কটাক্ষ অজিত মাইতি

একইসঙ্গে তৃণমূল বিধায়কের দাবি, ”পুকুর ভরাট গাছ কাটা রুখেছি আমি। তোলাবাজি রুখেছি আমি। আর বলছে পুকুর ভরাট করেছি আমি! আসলে যারা এসব করে তাদের সঙ্গে বিজেপি মিলে এসব করছে। আমি এসব কেয়ার করি না।”

এই গোটা ঘটনা নিয়ে বিরোধীদের নিশানায় তৃণমূল বিধায়ক। তাদের দাবি, আগে আমরা বলতাম এখন তৃণমূলের লোকও একই কথা বলছে। বিজেপি হুগলি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, ”চুঁচুড়ায় পুকুর ভরাট হয়েছে এটা তো আমরা আগে থেকেই বলেছি। এখন তার দলের লোকেরা বলছে। ঘটনা যে সত্যি তা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা তদন্ত চাই।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version