খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগকে (Fire Brigade) এবং নাকাশীপাড়া থানায় (Nakashipara Police Station)। পুলিশ, দমকল বিভাগ, এবং স্থানীয়দের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও প্রাথমিকভাবে তাদের চেষ্টা বিফলে যায়। এদিকে, জাতীয় সড়কের পাশে যান চলাচল করা গাড়ির হাওয়ায় আগুন মুহুর্তের মধ্যে বিভীষিকার রূপ নেয়। চোখের নিমিষে পুড়ে নষ্ট হয়ে যায় কয়েক লাখ টাকার প্লাস্টিক সামগ্রী।
এরপর দমকলের (Fire Brigade) আরেকটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। হঠাৎ করে রাতের অন্ধকারে আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয় এলাকায়। জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ফলে দীর্ঘক্ষন বন্ধ হয়ে যায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের যান চলাচল। পরবর্তী ক্ষেত্রে নাকাশিপাড়া থানার পুলিশ এবং দমকল বিভাগের চেষ্টায় ধীরগতিতে যান চলাচল শুরু হয়। এই ঘটনায় কিভাবে আগুন লাগল তার তদন্ত শুরু করেছেন দমকল বিভাগের কর্মীরা। এক স্থানীয় বাসিন্দা অমিত গুহ বলেন, “অনেক রাতে বাজারের একটি দোকানে আগুন লাগে। হাওয়া থাকার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা প্রথম আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। পুলিশ ও দমকলকে খবর দেওয়া হয়েছিল। আমাদের বাড়ির সামনেই, এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে গিয়েছি।”
এই দুর্ঘটনায় ১ জন দোকানদার সামান্য আহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে দমকল কর্মীদের সঙ্গে হাত লাগিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। আগুন লাগার বেশ অনেকক্ষণ পরে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন দমকল কর্মীরা। কী ভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছে দমকল বিভাগ। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে যে, ঝুপড়ি বাজারের গোডাউনে আগুন লেগে তা ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের দোকানে। ডিসেম্বর মাসে ট্যাংরাতেও ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। সেখানকার প্লাস্টিক কারখান দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। কালো ধোঁয়ায় চারদিক ঢেকে গিয়েছিল।
