Justice Rajasekhar Mantha : পুলিশে অনাস্থা, রাজারহাটের যুবক খুনে CID তদন্তের নির্দেশ বিচারপতি মান্থার – calcutta high court justice rajasekhar mantha ordered cid probe on rajarhat youth murder


রাজারহাটে যুবক খুনের ঘটনায় সিআইডিকে নতুন করে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা CID-কে নতুন করে তদন্ত শুরু করে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। ১৫ মার্চের মধ্যে নতুন করে তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সিআইডিকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাজারহাটের যুবক খুনের (Rajarhat Murder Case) ঘটনায় যে তিনজনকে অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাদের গ্রেফতারিকেও বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত করেছে আদালত। এর পাশাপাশি রাজারহাট থানার হাত থেকে মামলা সরানোর জন্য জোরাল সওয়াল করেছে আদালত।

Lakhimpur Kheri Case : লখিমপুরকাণ্ডে মন্ত্রীপুত্রের জামিন, ৭ দিনের মধ্যে দিল্লি ছাড়ার নির্দেশ
রাজারহাট থানার পুলিশকে এদিন মৃদু ভর্ৎসনা করেছে আদালত। মামলা সরানোর প্রসঙ্গ টেনে আদালত জানিয়েছে, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী যদি বলেন যে তাঁকে জোর করে সাক্ষী করা হয়েছে এবং তাঁকে সাক্ষ্যদানে বাধ্য করা হয়েছে তবে নিম্ন আদালত সেটা মানতে বাধ্য। আদালত এদিন জানিয়েছে, রাজারহাটের যুবক খুনের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীরা ধরা পড়েনি, এটা কোনওভাবেই অস্বীকার করা যাবে না। এই মামলার প্রকৃত অপরাধীরা এই মুহূর্তে বাইরে রয়েছে। তাসত্ত্বেও এই মামলরা তদন্তে পুলিশ আদালতের কাছে চার্জশিট জমা দিয়েছে।

Justice Rajasekhar Mantha : ‘পুলিশ কি কারও মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে পারে?’, এজলাসে প্রশ্ন বিচারপতি মান্থার
২০২২ সালের জুলাই মাসে রাজারহাটের গাঁড়াগড়িতে ভাঙরের বাসিন্দা ইয়ারুল মোল্লা নামে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে আগেও প্রশ্নের মুখে পুলিশ। এই মামলায় জড়িত সন্দেহে শান্তুনু মণ্ডল, বাবুসোনা বিশ্বাস, ভাস্কর বিশ্বাস, হরিদাস হাতি নামে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিচারপতি মান্থার এজলাসে অভিযুক্তদের আইনজীবী তাঁর মক্কেলদের জামিনের আবেদন করে জানিয়েছিলেন, মৃতের পরিবারের বয়ান দিয়ে জানিয়েছে, রাজনৈতিক কারণে ইয়ারুলকে খুন করা হয়েছে। তাসত্ত্বে প্রকৃত দোষীদের আড়াল করতে পুলিশ ছ’মাসেরও বেশি সময় ধরে তাঁর মক্কেলদের জেলে আটকে রেখেছে। এই মামলার অন্যতম প্রধান সাক্ষী রণজিৎ নাগ নামে এক ব্যক্তি আদালতকে জানিয়েছিলেন তাঁকে জোর করে ধৃতদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দানে বাধ্য করা হয়েছে।

Calcutta High Court : হাইকোর্টে অচলাবস্থা অব্যাহত, বিচারপতি মান্থার এজলাসে একাধিক মামলার শুনানি থমকে
সওয়াল জবাবের পর বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা পুলিশ তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেন, ‘ছ’মাস কাউকে বন্দি করে রেখে পুলিশ কি মৌলিক অধিকার হরণ করতে পারে?’ এর পাশাপাশি রণজিৎ নাগের নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। এই খুনের ঘটনায় শাসকদলের কয়েকজনের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। রাজ্য পুলিশের সিআইডি এখন এই মামলার কিনারা করতে পারে কিনা, সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *