Titas Sadhu : বাড়ি ফিরল বিশ্বকাপ জয়ী তিতাস। বিমানবন্দরে নামতেই চুঁচুড়াবাসীর উচ্ছ্বাস উন্মাদনা ছিল তাঁকে ঘিরে। বৃহস্পতিবার সকালে দমদমে নেমে অনুরাগীদের শুভেচ্ছায় ভেসে যান ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের দুই সদস্য চুঁচুড়ার তিতাস সাধু ও হাওড়ার ঋষিতা বসু (Rishita Basu)। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Aroop Biswas) উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তিতাস চলে যান রাজারহাটে। তার কোচ প্রিয়ঙ্কর মুখোপাধ্যায়কে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের পুরষ্কার তুলে দেন। তারপর সোজা চুঁচুড়ায় নিজের বাড়িতে যান তিতাস। তাঁর ঘরের ক্লাব রাজেন্দ্র স্মৃতি সংঘের খুদেরা তিতাসকে পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে। বাচ্চাদের দেখে তাঁদের সঙ্গে মেতে ওঠেন তিতাসও। এদিন বাড়ি ফিরেই বিকাল চারটে কুড়ি থেকে বিসিসিআই এর অনলাইন ইন্টারভিউতে যোগ দেন তিতাস। সন্ধার মুখে মাঠে হাজির হন বাবার সঙ্গে। মাঠে যাওয়ার সময় রবীন্দ্র ভবনের বিপরীতে মাস্টারের চায়ের দোকানে ঢোকেন তিনি। এরপরেই নিজের চেনা মাঠে নেমে পড়েন। নেটে যেখানে রোজ প্র্যাকটিস করেছেন, সেখানে ছোটোদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা করেন। অনুরাগীদের ছবির আবদার মেটান সর্বক্ষণ। ক্লাবের পক্ষ থেকে তিতাসের একটি ছবি উপহার হিসেবে তাঁর হাতে তুলে দেয় তার ক্লাবের কোচেরা।
Titas Sadhu : জল বওয়া থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়! বাড়ি ফিরতেই তিতাসের নামে জয়ধ্বনি চুঁচুড়ায় অনূর্ধ্ব উনিশে বিশ্বকাপে (U19 Women World Cup) ইংল্যান্ডকে হারানোর প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিতাস বলেন, “সেই দিনের সেই খেলাটা নিজেদের দিক থেকে সম্পূর্ণ চেষ্টা করেছি। সেদিনের জয়ে আমরা প্রত্যেকেই চেয়েছিলাম দলকে জেতাব। সবার চাহিদাটা যখন একসঙ্গে হয়। তখনই এইরকম জয় আসে।” তিতাসের কথায়, শুধুমাত্র তার বোলিং-এ জয় এসেছে তা নয়। সেদিনের ভালো ক্যাচ এবং প্রতিটা খেলোয়াড় ভালো খেলেছে। তার কারণেই জয় এসেছে। আগামী দিনে সিনিয়র টিম এবং আইপিএল খেলায় তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য হবে বলে জানিয়েছে তিতাস। সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে দেখা করা প্রসঙ্গে তিতাস বলেন, ” মাস্টার ব্লাস্টার শিখিয়েছেন আন্তর্জাতিক খেলায় গেলে সেখানকার খেলাটা কতটা আয়ত্বে আনতে পারছেন। কতটা খেলা খেলতে পারছেন। সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে।” বর্তমানে জুনিয়ার টিমের ক্যাপ্টেন তিতাস।
U19 Women T20 World Cup : চুঁচুড়ায় বিশ্বজয়ী তিতাসের বাড়িতে তৃণমূল বিধায়ক, পরিবারকে জানালেন শুভেচ্ছা তিতাস বলেন, “একবছর এখনও আছে। সেটা আরও ভালো খেলার চেষ্টা করব। আমার খেলার জন্য বাবা গর্বিত হয়েছে। এটাতেই আমি খুশি।” বিশ্বকাপে জয়ের পর তাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে হুগলি সহ চুঁচুড়া মাঠে। তিনি বলেন, “বর্তমানে সকলেই তিতাস হতে চায়। এটা একজনের ইচ্ছায় হয় না। পরিবেশ ও আশেপাশের লোকজন তার চারপাশের পরিবেশ এবং আশেপাশের লোকজন সবাই মিলে কেমন খেলছে তার ওপর নির্ভর করে। খুদেদের জন্য শুভেচ্ছা রইল।”