পারিবারিক সংকট মোচন এবং জমি সংক্রান্ত ঝুট ঝামেলা থেকে রেহাই পেতেই গ্রামে শুরু হয় মা সংকট তারিণীর পূজা এবং মেলা। যা বর্তমানে এক ‘মহা মিলন উৎসবে’ পরিণত হয়েছে। কোনও বিগ্রহ এবং মন্দির ছাড়াই বছরের পর বছর পূজিত হচ্ছেন মা সংকট তারিণী। তবে পুরাণ অনুযায়ী, মূলত দেবী দুর্গার ১০৮ অবতারের অন্যতম এবং দেবী সঙ্কটনাশিনীর একটি রূপ মা বিপত্তারিণী। তাই যে কোনও মাতৃশক্তির মন্দিরে এই পুজো হয়। ভক্তি মনে এই পুজো করলে, যে কোনও বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। হিন্দুধর্মাবলম্বীরা মূলত বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য এই দেবীর পুজো করা হয়।
মা সংকট তারিণীর এই পুজো এবং অতিকায় নাড়ুর কাহিনী অজানা অনেকেরই। তবুও কয়েকবছর হল ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা এসেছে এই মেলায়। মেলার মৌলিকতা এবং ভূতশহর গ্রামের প্রাচীন না জানা ইতিহাস রোমাঞ্চের সঞ্চার করে। অতিকায় গুড়ের পাহাড় দিয়ে ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয়দের গ্রাম ভূতশহরের মা সংকট তারিণীর এই পূজা এক নতুন মাত্রা এনে দেয় বাঁকুড়া জেলার সংস্কৃতিতে। শত শত মহিলা ডালা মাথায় নিয়ে মা সংকটতারিনীর পুজো দিয়ে পারিবারিক ও সাংসারিক মঙ্গল কামনা ব্রত করছেন। আজকের দিনে এই পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসবে মেতে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
