রাতেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় সামসেরগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। বোমাবাজির ঘটনায় কেউ জখম না হলেও এলাকায় চাপা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তারপর বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশাসনের তরফে সেই গ্রামে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। পুলিশের তরফে বোম্ব স্কোয়াডকেও খবর দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে পঞ্চায়েত ভোট। একাধিকবার প্রশাসনের শীর্ষস্তর থেকে বোমা ও অস্ত্র উদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপরই রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। তারপর আরও একটি জেলায় বোমাবাজির ঘটনা সামনে এল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সামসেরগঞ্জের অন্তরদীপা গ্রামের শেষ প্রান্তের একটি মাঠের মধ্যে বসে মদ খাচ্ছিল কয়েকজন। সেই সয়ম পাশের রাস্তা দিয়ে বাইকে বাড়ি ফিরছিলেন আরও একজন ব্যক্তি। মদ্যপানের সময় বাইকের হেডলাইটের আলো চোখে পড়া নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। এই নিয়ে শুরু হয় গন্ডগোল। স্থানীয় ডিলার সিরাজুল ইসলাম এবং তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মোর্তাজা আলি বংশের মধ্যে রেষারেষিতে বোমাবাজি করা হয় বলেও অভিযোগ। তবে বোমাবাজির ঘটনায় একে অন্যের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে তারা। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের ভাই আনসার মণ্ডল বলেন, “কী নিয়ে ঝামেলা হয়েছে আমরা বলতে পারব না। চায়ের দোকানে বসে আমরা লুডো খেলছিলাম। তখন বোমার আওয়াজ পাই। তখনই আমরা দৌড়ে বাড়িতে ঢুকে যাই। কয়েকজন বোমার ব্যাগ নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছিল। আমাদের বাড়ির সামনে বোমা মারা হয়েছে। পুলিশ বোমা উদ্ধার করেছে বলে শুনেছি।” অন্যদিকে ডিলারের পুত্রবধূ রুবিনা সরকার বলেন, ‘স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য কোনও কাজকর্ম করছে। আমার শ্বশুর ডিলার, তাঁর কাছে এলাকাবাসী অভিযোগ জানিয়েছিল। এখানে আমার ভোটে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আমার যাতে কোনওভাবে টিকিট না পাই, সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
