নতুন নিযুক্ত শিক্ষকদেরও অপ্রতুল শিক্ষকের স্কুলেই নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। বিশেষ ভাবে সক্ষম, প্রবীণ শিক্ষক-শিক্ষিকা (যাঁদের অবসরের দু’বছরও বাকি নেই), যে সব শিক্ষিকার সন্তান আছে–তাঁদের বদলির বিষয়টি অবশ্য কম গুরুত্ব পাবে। উদ্বৃত্ত শিক্ষক রয়েছেন, এমন স্কুল থেকে শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে একই জেলার মধ্যে বদলির বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলেও জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে বিষয়টি অঞ্চল-ভিত্তিকও (রিজিয়ন) হতে পারে। নতুন নিয়োগে বিলম্ব বা সব রীতি-নিয়ম মেনে বদলি সময়সাপেক্ষ হলে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে উদ্বৃত্ত শিক্ষকের স্কুল থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ঘাটতি শিক্ষকের স্কুলে পড়াতে যেতে হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
তবে বেতন-সহ পুরো চাকরির বিষয়টি পূর্ববর্তী স্কুল থেকেই নিয়ন্ত্রিত হবে। অন্য দিকে, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক-শিক্ষিকা বদলির ক্ষেত্রেও স্কুলশিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিব এক বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে আগের মতো এখন থেকে প্রাথমিকে কেন্দ্রীয় ভাবে বদলির পরিবর্তে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারপার্সনদের (ডিপিএসসি) হাতেই সেই ক্ষমতা ফিরল। রাজ্যে সাহায্যপ্রাপ্ত ও পোষিত স্কুলে শিক্ষক বদলির নীতি নিয়ে বার বার উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তাঁর মত ছিল, যেখানে ছাত্র নেই, কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত শিক্ষক আছেন–সেখান থেকে শিক্ষকদের অন্যত্র বদলি করা হোক। ফাঁকা স্কুল ছেড়ে অন্য স্কুলে যাওয়ার বিরোধিতা কোনও শিক্ষক করলে, তাঁকে বরখাস্ত করার কথাও বলেছিলেন বিচারপতি। তাঁর প্রশ্ন ছিল, সবাই বাড়ির পাশের স্কুলে বদলি চাইলে স্কুল চলবে কী করে? আদালত পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ ভেবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল। শিক্ষা দপ্তর বদলির নতুন গাইডলাইনে এই বিষয়গুলিকেই গুরুত্ব দিল।
