TMC Conflict : দলীয় কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা! অভিযোগ তুলে নিরাপত্তার চেয়ে ইস্তফা ১২ জনের – twelve trinamool congress panchayat members give resignation at malda bamangola area


West Bengal News : তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে (TMC Conflict) আক্রান্ত দলেরই একের পর এক পঞ্চায়েত সদস্য! এমনই অভিযোগ তুলে ইস্তফা দিলেন প্রধান, উপপ্রধান সহ তৃণমূলের (Trinamool Congress) ১২ জন পঞ্চায়েত সদস্য। শুক্রবার, BDO-র কাছে ইস্তফা পত্রও জমা দিয়েছেন তাঁরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা (Malda) জেলার বামনগোলা (Bamangola) ব্লকের মদনাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতে। ভোটের মুখে পঞ্চায়েত সদস্যদের ইস্তফা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) অন্দরে। এই পঞ্চায়েতে মোট ১৯টি আসন রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে সবকটি আসনেই তৃণমূল জয়ী হয়েছে। তার পরেও তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে বারংবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে মদনাবতী গ্রাম পঞ্চায়েত। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে পঞ্চায়েতে অনাস্থাও আসে। এবার পঞ্চায়েত সদস্য জয়প্রসাদ গুপ্তকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

Trinamool Congress : গোসাবায় আক্রান্ত ২ তৃণমূলকর্মী, বাইকে আগুন
অভিযোগ, জানুয়ারী মাসে আরও এক পঞ্চায়েত সদস্য নাজির সরকারকেও মারধর করা হয়। ঘটনায় নাম জড়িয়েছে যুব তৃণমূলের। থানা থেকে দলে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ প্রধান রানু বিশ্বাস রায়ের। তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত সদস্যরা একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছেন। আমাদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। তাই আমরা সবাই মিলে পঞ্চায়েত থেকে ইস্তফা দিয়েছি।” ইস্তফা দিয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্য তথা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উপেন্দ্রনাথ সরকারও।

Madan Mitra : ‘মাংস ঝলসে শিক কাবাব তৈরি হবে…’, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে মদন-মন্তব্যে বিতর্ক
তিনি বলেন, “স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতৃত্ব এর আড়ালে রয়েছে। দলকে সব জানানো হয়েছে।” যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতা তাপস রায়। তিনি বলেন, “এখানে যুব তৃণমূলের কোনও বিষয় নেই। কোনও গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নেই, সব মিথ্যে অপপ্রচার। আমরা আমাদের কিছু দাবি দাওয়া নিয়ে একদিন পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েছিলাম। তখন কিছু বিষয় নিয়ে কিছু তর্ক বিতর্ক হয়েছে, শুধু এটুকুই।”

Pradhan Mantri Awas Yojana : আবাস যোজনার টাকা অন্যের অ্যাকাউন্টে! বাঁকুড়ায় পঞ্চায়েত প্রধানকে শোকজ
এই বিষয়ে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, “এই বিষয়ে আমি শুনেছি। তবে সঠিক বিষয়টি জানা নেই আমার। খোঁজ নিয়ে দেখব আসলে কি কারনে ওখানকার পঞ্চায়েত সদস্যরা ইস্তফা দিচ্ছেন।” ইস্তফা দেওয়া পঞ্চায়েত সদস্য নাজির সরকার এই বিষয়ে দলের উচ্চ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি বলেন, “এমনি এমনি আমরা ইস্তফা দিইনি। গত জানুয়ারি মাসেই আমাকে যুব নেতা তাপস ও তার দলবল মারধর করে বিনা কারনে। শুধু আমাকে না, আরও অন্যান্য পঞ্চায়েত সদস্যদেরও নানাভাবে বিভিন্ন সময় হেনস্তা করা হয়েছে। স্থানীয় নেতৃত্বকে এই বিষয়ে জানানো হলেও তেমন কোনও আশ্বাস আমরা পাইনি।” বিষয়টি যাই হোক না কেন, একসঙ্গে এতজন পঞ্চায়েত সদস্যের ইস্তফা যে জেলার শাসকদলকে চাপে ফেলল, তা ঘুরিয়ে স্বীকার করছেন জেলার নেতারাও।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *