প্রত্যেকেরই বয়স ১৫ থেকে ২০-এর মাঝামাঝি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকটি একটি জলের গাড়িতে ধাক্কা মারে। তারপর তিনজন রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায়। পিছনে থাকা এক যুবতীর মাথা ইটের সঙ্গে গিয়ে লাগে। তিনজনেরই গুরুতর আঘাত লাগে। দুর্ঘটনা লক্ষ্য করেই ঘটনাস্থলে স্থানীয় বাসিন্দারা। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য যানজট তৈরি হয়। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা অরিজিৎ প্রামানিক বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে ছিলাম। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা এখানে আসি। শুনেছিল একটি ছেলে দ্রুত বেগে বাইক চালাচ্ছিল, পিছনে দুটি মেয়ে ছিল। কারো হেলমেট ছিল না।” স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, “বাইক থেকে তিনটি ছেলেমেয়ে ছিটকে পড়ে যায়। একটি মেয়ের দেওয়ালে গিয়ে ধাক্কা খায়। ঘটনাস্থলেই ওঁদের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। খুব জোরে এসে ধাক্কা মারে বাইকটি। এর বেশ কিছুক্ষণ বাদে ওঁদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।”
ঘটনাস্থল থেকে তড়িঘড়ি তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনজনের মধ্যে একযাত্রী সুস্মিতা সর্দারকে ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, মৃত যুবতী বাঁশদ্রোণী এলাকার বাসিন্দা। বাকি দু’জন গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে দুর্ঘটনায় যাত্রীদের সচেতনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। হেলমেটে ছাড়া এভাবে বাইকে তিনজন কেন যাতায়াত করছিল, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। তাছাড়া একটি বাইকে তিনজন সওয়ারী হয়ে এত বেগে গাড়ি চালানোর কারণেই এরকম দুর্ঘটনা ঘটে বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার তদন্ত করছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ।
