সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) একটি পর্যবেক্ষণকে ঘিরে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয় সিকিমে (Sikkim)। পরে আদালত সেই মন্তব্য প্রত্যাহারে সম্মত হওয়ায় সিকিমে শান্তি ফিরেছে। তার প্রভাব স্পষ্ট হোটেল বুকিংয়েও। উৎসাহী পর্যটন ব্যবসায়ীরাও দোল উপলক্ষে নানা পরিকল্পনা নিচ্ছেন। খাওয়া-দাওয়া থেকে বেড়ানোর নানা পরিকল্পনা চলছে। সিকিমের পর্যটন বিষয়ক পরামর্শদাতা তথা অ্যাসোসিয়েশন অফ কনজারভেশন অ্যান্ড ট্যুরিজমের সভাপতি রাজ বসু বলেন, ‘সিকিমে শান্তি ফেরায় পর্যটক মহলে ফের উত্তরবঙ্গ ও সিকিমকে ঘিরে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। বুকিংয়েও তার প্রভাব মিলছে। সেই কারণেই দোল উৎসবকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা চলছে।’ একই সঙ্গে আগামী মরসুমের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।
হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘গত বছর প্রচুর পর্যটক উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে বেড়াতে এসেছিলেন। নানা সমস্যাতেও পড়তে হয়েছিল তাঁদের। সেই অভিজ্ঞতার নিরিখেই এ বার আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কিছু প্রস্তাব রাখা হবে যাতে পর্যটকদের হেনস্থা কমানো যায়।’ পর্যটন ব্যবসায়ীরা মূলত দু’টি ক্ষেত্রে এ বার বিশেষ জোর দিতে চান। একটি হলো, বিমানের টিকিটের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারি হস্তক্ষেপ। পর্যটন মরসুমেও যাতে টিকিটের দামে নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়, সে কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকারকে হস্তক্ষেপের আর্জি জানানো হবে। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদকের কথায়, ‘এখনই মুম্বই থেকে বাগডোগরা বিমানে যাতায়াতের খরচ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা।
এই খরচ পর্যটন মরসুমে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। অথচ, বাগডোগরায় প্রায় সমস্ত বিমান ভর্তুকিহীন জ্বালানি ভরতে আসে। টিকিটের দামে তার কোনও প্রভাব নেই। দ্বিতীয় সমস্যাটি হলো, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে গাড়ি ভাড়া করতে গিয়ে পর্যটকদের হেনস্থার শিকার হওয়া। গত বছর এমন ঘটনা বেশ কয়েকটি ঘটেছে। এ বার তাই আগে থেকেই পুলিশের হস্তক্ষেপ চাওয়া হবে যাতে কোনও পর্যটককে হেনস্থার শিকার হতে না-হয়।’
