ঠিক কী নিয়ে সমস্যা
জানা গিয়েছে ২০১৩ সালে পালিয়ে বিয়ে করেছিল সন্দীপ ও সুপ্রিয়া। এই দম্পতি কোচবিহারের সিতাইতে থাকত। কয়েক বছর আগে তাঁরা ঘর ভাড়া নিয়ে পাকাপাকিভাবে শিলিগুড়িতে চলে আসে। তাঁদের তিন সন্তান রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। সুপ্রিয়ার পরিবারের দাবি, বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই মেয়ের উপর অত্যাচার করত শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এমনকী তাঁকে মারধর ও শারীরিক নিগ্রহও করা হত। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কোচবিহার থেকে শিলিগুড়ি চলে আসার পরও সুপ্রিয়াকে মাধধর করত তাঁর স্বামী। এমনকী রাতে ঘুমনোর সময় বিছানায় ছুরি নিয়েও ঘুমতো অভিযুক্ত। সম্প্রতি সন্তানদের নিয়ে ভক্তিনগর এলাকায় একটি বাড়িভাড়া নিয়ে একাই থাকতেন মহিলা৷ স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মাঝে মধ্যেই তাঁর স্বামী সেখান আসত এবং বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বচসা চলতেই থাকত।
কী দাবি মৃতের পরিবারের
মৃতের পরিবারের দাবি, রবিবার বিকেলে স্বামী তাঁর পরিবার সুপ্রিয়ার বাড়িতে যায়। সেখানে তাঁকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। খুনের পর স্ত্রীয়ের রক্তাক্ত দেহ একটি টোটোতে উঠিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় অভিযুক্ত৷ ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যায় এনজেপি থানার পুলিশ৷ অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করে৷ তাঁকে সোমবার জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে মৃতের দিদি সুজাতা সিংহ বলেন, “বিয়ের পর থেকে বোনকে মারধর করা হত। তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রতিদিন তাঁকে নিগ্রহ ও হেনস্থা করত৷ আমার বোনের কোথাও অন্য কোনও সম্পর্ক ছিলনা৷ বোনকে অনেক দিন ধরেই খুনের পরিকল্পনা ছিল সুদীপের৷ সে বিছানায় ছুরি নিয়ে ঘুমোতো৷ কিন্তু এভাবে খুন করে ফেলবে ভাবতে পারছি না৷
