রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে টার্গেট করে তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “একটা মানুষ যখন আর একজনকে আলিঙ্গন করেন তখন দুজনের সম্মতি থাকে।এখন বিজেপি এই নির্দেশ মানতে গেলে, বিজেপির যে নেতারা আছেন দিলীপ ঘোষ,শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাহুল সিনহা এঁরা যখন গোরুকে আলিঙ্গন করতে যাবে তখন গোরু রাজি আছে কি না?” বিধায়কের কথায়, মানুষের তো দুটো পা,মানুষ আলিঙ্গন করতে এগিয়ে যাবেন, বিজেপির এই নেতারা আলিঙ্গন করতে এগিয়ে যাবেন, কিন্তু গোরু কি দু পায়ে এগিয়ে যাবে আর দু পা উপরের দিকে রাখবেন? প্রশ্ন নারায়ন গোস্বামীর। “পাগলের শাসনে ভারতবর্ষ চলছে” বলেই কটাক্ষ গোস্বামীর।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে শুক্রবার অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার বোর্ডের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশিকায় আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি গোরুকে আলিঙ্গন করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের কথা জানান বোর্ড সচিব এস কে দত্ত। এর আগে ভ্যালেন্টাইনস ডে দিনটিতে গো আলিঙ্গন দিবস হিসেবে পালনের জন্য আর্জি জানায় কেন্দ্র। পশুকল্যাণ বোর্ডের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় দাবি করা হয়েছিল যে গোরুকে জড়িয়ে ধরলে মানসিক সমৃদ্ধি হবে এবং মন খুশি থাকবে। এই সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশ জুড়ে শুরু হয় সমালোচনা। বিরোধীদের প্রতিবাদের চাপে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে।
