ম্যানেজারের কাছে গিয়ে খোঁজ নেয় মালিক কোথায়। তারপর হঠাৎ করেই মালিক শপিং মলে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে তার ওপরে অতর্কিতে ওই ব্যক্তি হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেওয়া হয় স্থানীয় রামনগর থানায় (Ramnagar Police Station)। অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, যে ব্যক্তি অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে ছিল সে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। তার পরিবারের লোকজনও জানান যে ওই ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন। তাই সে না জেনেই এমন আক্রমণ করেছে। তবু এই আক্রমণের মধ্যে বিশেষ কোনও ষড়যন্ত্র আছে কিনা তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) রামনগর (Ramnagar) এলাকায় রয়েছে বিভিন্ন শপিং মল সহ অনেক বড় দোকান। এইভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে অতর্কিত হামলায় উঠছে একাধিক প্রশ্ন। রানীসাইট শপিং মলের কর্মীরা এই ঘটনার পর ভয়ে সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন। অনেকেই এই ঘটনার জন্য পুলিশের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন। আগামী দিনে এই রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে আর না ঘটে এমনটাই চাইছেন শপিং মলের মালিক থেকে কর্মীরা সকলেই।
ফিল্মি কায়দায় এই অতর্কিত হামলার CCTV ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছেন অনেকেই। জানা গিয়েছে, ওই অতর্কিত হামলাকারীর বাড়ি রামনগর থানার মিরগোদায়। মানসিক ভারসাম্যহীন পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার পরে অতর্কিত হামলাকারী ব্যক্তিকে আটক করার পরে ছেড়ে দেয় পুলিশ। তবু দিনে দুপুরে এই অতর্কিত হামলাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। শপিং মলের ম্যানেজার থেকে মালিক সবাই এই দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও ভুলতে পারেননি। রানীসাই শপিং মল সহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। কিন্তু পুলিশি টহলের দেখা নেই বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসীরা। এই বিষয়ে ওই মলের ম্যানেজার জানান, “একেই একবার এরকম ভয়ানক হামলা ঘটে গিয়েছে। তারপরেও যদি পুলিশ প্রশাসন উদাসীন থাকেন নিরাপত্তার বিষয়ে, তাহলে আমরা আমাদের চাকরি করব কিভাবে?” এই প্রশ্নই তুলছেন ম্যানেজার থেকে কর্মী সকলেই।
