TMC Vs CPIM : শহিদ বেদী ভাঙাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষে উত্তপ্ত আগরপাড়া, আতঙ্ক এলাকাজুড়ে – trinamool cpim clash over demolition of shahid bedi in agarpara


West Bengal News : শহিদ বেদী ভাঙাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষে উত্তপ্ত আগরপাড়া উষুমপুর এলাকা। ৬ জন সিপিআইএম কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহতদের পানিহাটি হাসপাতালে (Panihati Hospital) ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে যায় ঘোলা থানার পুলিশ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। খাদ্য আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আগরপাড়া উষুমপুর বটতলা অঞ্চলে শহিদ বেদী স্থাপন করেছিলেন তৎকালীন সিপিআইএম নেতৃত্ব। সিপিআইএমের সেই শহিদ বেদী ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আগরপাড়ায়। সিপিএম তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আগরপাড়া উষুমপুর বটতলা এলাকা।

CPIM Meeting : নদিয়ায় বামেদের সভার অনুমতি দিল না পুলিশ, ‘বিরোধীদের চক্রান্ত’! কটাক্ষ
সিপিআইএমের অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর হিমাংশু দেবের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা সিপিএম কর্মীদের উপরে আক্রমণ চালায়। রাস্তার উপর ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় আহত হয়েছেন সিপিএমের ছয় জন কর্মী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় ঘোলা থানার (Ghola Police Station) বিশাল পুলিশ বাহিনী। আহত সিপিএম কর্মীদের পানিহাটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় ছড়িয়েছে তীব্র উত্তেজনা।

Road Accident : মদ্যপ বাইক চালকের ধাক্কায় মৃত্যু CPIM নেতার, চাঞ্চল্য দুর্গাপুরে
সিপিআইএম নেতৃত্বের বক্তব্য, ১৯৫৯ সালে ওখানে খাদ্য আন্দোলনের সময় শহিদ বেদী নির্মাণ করা। হয়। রাস্তা সম্প্রসারণের কাজে বেদী অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যেত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবেই এই বেদী জেসিবি দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। সিপিআইএম নেতা শুভব্রত চক্রবর্তী অভিযোগ, উন্নয়নের বিরোধী নন তারা তবে দীর্ঘদিনের এই শহিদ বেদী আলোচনার ভিত্তিতে সরিয়ে নেওয়া যেত অন্যত্র। আলোচনা ছাড়াই শহিদ বেদী ভেঙে গুড়িয়ে দেয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যার নেতৃত্বে ছিলেন অঞ্চলের পৌর প্রতিনিধি হিমাংশু দেব রায়।

TMC-CPIM Clash : তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, মধ্যমগ্রামে রাস্তা অবরোধ করল CPIM-ISF
অন্যদিকে, তৃণমূলের বক্তব্য, উষুমপুর বটতলা অঞ্চলে রাস্তাটি ছিল ১৪ ফুট চওড়া। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি সেই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। তৃণমূল কাউন্সিলর জানান, নির্দিষ্ট একটি জায়গায় পুনরায় শহিদ বেদী নির্মাণ করে দেওয়া হবে। সিপিআইএম অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন অঞ্চলের পুর প্রতিনিধি হিমাংশু দেব রায়। তিনি বলেন, “অঞ্চলের এক প্রবীণ সিপিআইএম নেতা তাঁকে আলোচনার জন্য ঘটনাস্থলে ডাকেন। সেখানে যাওয়ার পর দেখতে পাই, সিপিআইএম নেতৃত্বরা তৃণমূল কর্মীদের মারধর করছে।” ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে আগরপাড়া ঊষূমপুর অঞ্চল জুড়ে। ঘোলা থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে গোটা ঘটনায় ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *