সিপিআইএমের অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর হিমাংশু দেবের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা সিপিএম কর্মীদের উপরে আক্রমণ চালায়। রাস্তার উপর ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় আহত হয়েছেন সিপিএমের ছয় জন কর্মী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় ঘোলা থানার (Ghola Police Station) বিশাল পুলিশ বাহিনী। আহত সিপিএম কর্মীদের পানিহাটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় ছড়িয়েছে তীব্র উত্তেজনা।
সিপিআইএম নেতৃত্বের বক্তব্য, ১৯৫৯ সালে ওখানে খাদ্য আন্দোলনের সময় শহিদ বেদী নির্মাণ করা। হয়। রাস্তা সম্প্রসারণের কাজে বেদী অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যেত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবেই এই বেদী জেসিবি দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। সিপিআইএম নেতা শুভব্রত চক্রবর্তী অভিযোগ, উন্নয়নের বিরোধী নন তারা তবে দীর্ঘদিনের এই শহিদ বেদী আলোচনার ভিত্তিতে সরিয়ে নেওয়া যেত অন্যত্র। আলোচনা ছাড়াই শহিদ বেদী ভেঙে গুড়িয়ে দেয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যার নেতৃত্বে ছিলেন অঞ্চলের পৌর প্রতিনিধি হিমাংশু দেব রায়।
অন্যদিকে, তৃণমূলের বক্তব্য, উষুমপুর বটতলা অঞ্চলে রাস্তাটি ছিল ১৪ ফুট চওড়া। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি সেই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। তৃণমূল কাউন্সিলর জানান, নির্দিষ্ট একটি জায়গায় পুনরায় শহিদ বেদী নির্মাণ করে দেওয়া হবে। সিপিআইএম অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন অঞ্চলের পুর প্রতিনিধি হিমাংশু দেব রায়। তিনি বলেন, “অঞ্চলের এক প্রবীণ সিপিআইএম নেতা তাঁকে আলোচনার জন্য ঘটনাস্থলে ডাকেন। সেখানে যাওয়ার পর দেখতে পাই, সিপিআইএম নেতৃত্বরা তৃণমূল কর্মীদের মারধর করছে।” ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে আগরপাড়া ঊষূমপুর অঞ্চল জুড়ে। ঘোলা থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে গোটা ঘটনায় ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।
