অন্যদিকে, সাগরদিঘির সামসাবাদ হাইস্কুলে একইধরনের অভিযোগ। বুথ চত্বরে রীতিমতো প্রভাব খাটানোর অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে। বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে থেকে পুলিশকে সরিয়ে দেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহা। উলটে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীদের নিয়ে বুথে ঢুকেছিলেন।
প্রসঙ্গত, ৪৮ নং বোখারা বুথে জঙ্গিপুর পুরসভার কাউন্সিলর মেহেবুব আলমকে ঘিরে বহিরাগত অভিযোগে বিক্ষোভ শুরু করে বিরোধীরা।
তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১১ নং বুথে ঢুকতে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী বুথের ভিতর প্রার্থীর প্রবেশে বাধা নেই। তবে তিনি সেখানে গিয়ে কোনও নির্দেশ দিতে পারবেন না। অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহার ক্ষেত্রে অভিযোগ অনুযায়ী বুথের ২০০ মিটারের রাজ্য পুলিশ থাকতে পারে না। কিন্তু, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম বলছে, এরকম ঘটনা ঘটলে বিষয়টি নিয়ে কমিশনকে অভিযোগ জানাতে পারে, কিন্তু প্রার্থী নিজে তাদের সরাতে পারেন না।
মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ( Sagardighi By Election) ভোট শুরুর আগেই ছড়ায় উত্তেজনা। মক পোল নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় ডাঙরাইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মকপোলের সময় পোলিং এজেন্টের সঙ্গে বচসাকে কেন্দ্র করে ডাঙরাইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৩ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন।
রবিবার রাতে সাগরদিঘি বিধানসভা উপনির্বাচনের সন্ত্রাস, ভোট লুটের আশঙ্কা প্রকাশ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। এদিন বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী বলেন, ”সাগরদিঘি বিধানসভার বর্ডার এলাকা লালগোলা ভগবানগোলা দিয়ে তৃণমূলের সন্ত্রাস বাহিনী ঢুকে সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা করবে। লুটেরারা ভোট লুটের চেষ্টা করবে। আমরাও বসে থাকব না। তবে সাগরদিঘির মানুষকে বলব, যাকে হয় ভোট দিন। তবে ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে আসুন।”
