Buxa Hill Forest : স্কুল শূন্য হবে বক্সা? ক্ষোভ থেকে আন্দোলনের হুমকি – buxa hill forest schools are going to close question arised


এই সময়, আলিপুরদুয়ার:বক্সা পাহাড় ও তার পাদদেশে বনবস্তিগুলিতে থাকা ৭টি প্রাথমিক ও উচ্চতর প্রাথমিক স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা। জাতীয় শিক্ষা মিশনের নির্দেশে রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ হালে ত্রিশ জনের কম পড়ুয়া থাকা প্রাথমিক ও উচ্চতর প্রাথমিক স্কুলের তালিকা প্রকাশ করেছে। সরকারি তালিকা প্রকাশ্যে আসার পরেই প্রশ্ন উঠেছে যে, তাহলে কি ওই স্কুল গুলিকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

West Bengal School : ৮২০৮ স্কুলে পড়ুয়া ৩০-এর কম!
যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের পক্ষ থেকে স্কুলগুলি বন্ধ করে দেওয়ার কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তালিকায় আলিপুরদুয়ার জেলার গ্রাম ও শহর মিলিয়ে কম পড়ুয়া রয়েছে এমন ১৬২টি স্কুলের নাম রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে ওই তালিকাভুক্ত প্রাথমিক ও উচ্চতর প্রাথমিক স্কুলগুলির মধ্যে বক্সা পাহাড় ও পাদদেশে যে স্কুলগুলি রয়েছে, তাদের গড় পড়ুয়ার সংখ্যা মেরেকেটে আট থেকে নয়।

Assam School : বন্ধ হতে চলেছে অসমের শতাধিক স্কুল! দিশেহারা অভিভাবকরা
ফলে স্কুলগুলি বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে বক্সা পাহাড়ের মোট তেরোটি গ্রামের খুদে পড়ুয়ারা। এই নিয়ে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন উত্তরবঙ্গের বনজন শ্রমজীবী মঞ্চ আহ্বায়ক লাল সিং ভুজেল। তিনি বলেন, ‘এমনিতেই বক্সা পাহাড় ও বনবস্তি গুলিতে শিক্ষার হার খুব কম।

Primary School : বুনিয়াদি পাঠে দেশের মধ্যে ‘ফার্স্ট’ বাংলাই
শিক্ষার অধিকার আইনে সকল শিশুদের যখন শিক্ষা সুনিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, তখন আমাদের শিশুরা কেন বঞ্চিত হবে? সত্যি যদি ওই তালিকা মেনে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে আমরা উত্তরবঙ্গ অচল করে দেব।’

Samagra Shikhha Mission West Bengal : মিলল ২,৭৫০ কোটি, স্কুলে পরিকাঠামোয় বাড়তি টাকাও
স্কুল বন্ধের জিগির ওঠায় বক্সা পাহাড় ও বনবস্তি গুলিতে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। ওই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন বক্সা পাহাড়ের বহু বাসিন্দা। এমনিতেই ভৌগলিক ভাবে দুর্গম অবস্থান হওয়ায় বক্সা পাহাড়ের পড়ুয়াদের শিক্ষা নিতে স্কুলে আসার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। বর্ষাকালে যা চরমে ওঠে।

West Bengal Government School : হাতেগোনা পড়ুয়া! ভগ্নপ্রায় সরকারি স্কুল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ স্থানীয়দের
ফলে স্কুলবিহীন বক্সা পাহাড় থেকে সমতলে নেমে এসে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া বাস্তবে অসম্ভব। আর পাহাড়ি জনপদগুলির লোকসংখ্যা কম হওয়ায় সেখানে পড়ুয়ার সংখ্যাও খুবই নগন্য। ফলে দাবি উঠেছে, গ্রাম অথবা শহরের কম পড়ুয়া বিশিষ্ট স্কুলগুলি বন্ধ করে দেওয়া হলেও বক্সা পাহাড় ও বনবস্তি গুলির স্কুল গুলিকে ওই তালিকার বাইরে রাখা হোক।

Iran News: ‘পড়াশোনা রুখতে স্কুল ছাত্রীদের বিষ খাওয়ানো হচ্ছে’, বিস্ফোরক ইরানের মন্ত্রী
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান পরিতোষ বর্মন বলেন ‘জাতীয় শিক্ষা মিশনের নির্দেশে শুধুমাত্র কম পড়ুয়া বিশিষ্ট স্কুলগুলির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু বন্ধ করে দেওয়ার কোনও নির্দেশ আমরা পাইনি।’ যদিও কয়েক মাস আগে বক্সা পাহাড়ের বেশ কিছু ছাত্রছাত্রীকে কালচিনির সরকারি আবাসিক পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু স্কুলে নিয়ে আসা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *