Cooch Behar News : মাত্র ১ জন শিক্ষক, একসঙ্গে চলে ২ শ্রেণির ক্লাস! স্কুলে গিয়ে অবাক বিধায়ক – sitai trinamool congress mla jadadish basunia visits school for the campaign of didir suraksha kavach


West Bengal News : স্কুলে রয়েছে পর্যাপ্ত ছাত্র। কিন্তু নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক ও ক্লাসরুম। দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচির প্রচারে বেরিয়ে স্কুলের এমন ভয়ানক অবস্থার ছবি চোখে পরল সিতাই বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার চোখে। দিদির দূত হয়ে ধুমেরখাতা গ্রামে যান তৃণমূল বিধায়ক। সেখানে গিয়ে ধুমের খাতা উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে চোখে পড়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা।

বিধায়ককে সামনে পেয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করে পড়ুয়ারা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত রয়েছে মাত্র একজন শিক্ষক। এই স্কুল অতিথি শিক্ষকের সংখ্যাও একজন। গ্রুপ ডি কর্মীও মাত্র একজন। পর্যাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর অভাব স্কুলের পঠনপাঠনের উপর পড়ছে বলেও দাবি করে শিক্ষক ও পড়ুয়ারা। এর পাশাপাশি পড়ুয়াদের সংখ্যার নিরিখে স্কুলে ক্লাসরুমের সংখ্যাও কম বলে বিধায়ককে জানিয়েছেন তাঁরা। ফলে একটি শ্রেণিকক্ষে দুই ক্লাসের পড়ুয়াদের নিয়ে ক্লাস করাতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা।

Dakhin 24 Pargana: ঘণ্টা বাজানো থেকে পড়ানো, সবেধন নীলমণি একজন শিক্ষক! এ কী অবস্থা সাগরের প্রাথমিক স্কুলের
শিক্ষক ও পড়ুয়াদের যাবতীয় অভাব-অভিযোগ মন দিয়ে শোনেন বিধায়ক। তাঁদের বিধায়ক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবেন। এর আগেও সিতাই ব্লকের জাটিগাড়া মাধব চন্দ্র বিদ্যাপীঠ স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে অব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জগদীশ।

সেই স্কুলেও শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে বলে বিধায়ককে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। সেখানে বসেই শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রীকে ফোন করে যাবতীয় সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। আর শিক্ষকের ঘাটতি থাকার কারনে স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের হাজিরা কম। মিড ডে মিল ঠিকমতো হয়না। তারপর এদিন ব্লকের আরেক স্কুলে একই চিত্র উঠে আসায় শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Paschim Medinipur News : ক্লাসরুমে বহুদিন দেখা মেলেনি মাস্টারমশাইদের, প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধে কচিকাঁচাদের
স্কুল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিধায়ক জগদীশ বর্মা বাসুনিয়া বলেন, “শ্রেণিকক্ষ রয়েছে এই স্কুলে। আরেকটি শ্রেণিকক্ষের কাজও অর্ধেক হয়ে পড়ে রয়েছে। বাকি বরাদ্দের টাকা চলে এসেছে। স্কুলে শিক্ষক নেই বলে একসঙ্গে বাচ্চাদের একসঙ্গে যুক্ত করে ক্লাস নিচ্ছে। আমি অবিলম্বে শিক্ষা দফতরের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলব।”

Narayan Goswami : ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে হরিনাম সংকীর্তন, রাস্তা নিয়ে ক্ষোভ সামলে সম্প্রীতির বার্তা তৃণমূল বিধায়কের
স্কুলেক এক পড়ুয়া এই প্রসঙ্গে বলেন, “একসঙ্গে দুটি ক্লাসের বাচ্চাদের পড়ানোয় আমাদের সমস্যা হচ্ছে। যখন এক ক্লাসকে পড়ানো হয়, তখন আমরা বসে থাকি। যখন আমাদের পড়ানো হয়, তখন ওঁরা বসে থাকে। এইভাবে আমাদের খুবই সমস্যা হচ্ছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *