বৃহস্পতিবার সকাল আটটা নাগাদ ওই আবাসনের বারো এবং তেরো নম্বর টাওয়ারের মাঝের রাস্তায় একটি কুকুরছানাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন সেখানকার এক নিরাপত্তাকর্মী। সূত্রের খবর, তার কিছু দূরেই আরও একটি কুকুরছানাকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বাকি চারটি কুকুরছানার খোঁজ মেলেনি। আবাসন চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, ওই আবাসন চত্বরে মাস চারেক আগে জন্ম হয়েছিল ছ’টি ছানার।
আবাসনের বাসিন্দা পশুপ্রেমী বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘মোট ছ’টি কুকুরছানা ছিল। ওরা বড় হয়ে উঠলেও মায়ের দুধ খেত। ওদের বিষ খাইয়ে মারা হয়েছে। চারটের দেহ সরানো হয়েছে। একটির দেহ সরাতে পারেনি। আর একটি গুরুতর অসুস্থ। আমরা হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ করেছি। দোষীদের খুঁজে বের করতে হবে।’ বছর তিনেক আগে পাটুলিতে পথ-কুকুরকে বিষ খাইয়ে মারার প্রতিবাদেও শহরের পশুপ্রেমীরা সরব হয়েছিলেন।
