জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিট নাগাদ হাওড়া স্টেশন থেকে রওনা হয়েছিল হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেস। বেলা ১২টা নাগাদ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটি দাঁড়িয়ে পড়ে। এস-৩ কামরার কাছে ট্রেনেরর চাকার মধ্যে ব্রেক বাইন্ডিং হয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। দুপুর ২টো নাগাদ ট্রেনের কামরা সরানো হয়। এস ৩ কামরাটি সেখান থেকে সরিয়ে অন্য নতুন কামরা সংযোগের ব্যবস্থা চলছে। এখনও ভোগপুর স্টেশনে আটকে রয়েছে ট্রেনটি।
খবর পেয়ে রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও আরপিএফরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। আরপিএফের কাছে ক্ষোভ উগরে দেন যাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকলেও রেলের তরফে উপযুক্ত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
দুরন্ত এক্সপ্রেসের যাত্রী পার্থসারথী মজুমদার বলেন, “আমি কলকাতা থেকে কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিলাম। হাওড়া স্টেশন থেকেও ট্রেনটি দেরি করে ছেড়েছে। এই স্টেশনে এসে গাড়ির ব্রেক লক হয়ে গিয়েছে। কীভাবে কোনও পরীক্ষা ছাড়া গাড়ি কারশেড থেকে বাইরে এল, সেটাই বুঝতে পারছি না। এটা সম্পূর্ণভাবে রেলের গাফিলতি। ৪টে কামরা থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে সেগুলি মেরামত করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এইভাবে কোনও কিছু হয় না।”
আরও এক যাত্রী বলেন, “দীর্ঘক্ষণ ধরে ট্রেন এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। গরমে আমরা নাজেহাল হয়ে যাচ্ছি। রেলের এতটাই গাফিলতি যে কোনও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়। দীর্ঘক্ষণ আগে খারাপ হওয়া কামরা গুলি মেরামত করতে নিয়ে যাওয়া হলও, এখনও ট্রেন ছাড়ার কোনও ব্যবস্থা হয়নি। কতক্ষণ যে আমরা এখানে আটকে থাকব জানি না।”
