Shantanu Banerjee : শান্তনুর ধাবার আড়ালেও চলত নানান কুকর্ম? তদন্তকারীদের নজরে ‘দ্য স্পুন’ – alcohol bottles and a mysterious tent found behind shantanu banerjee restaurant


মোবাইল সিম কার্ডের ব্যবসা দিয়ে কেরিয়ার শুরু। কিন্তু, এরপরেই উল্কা উত্থান! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। সূত্রের খবর, তিনি জিরাটের বারুইপাড়ায় ‘দ্য স্পুন’ নামক একটি রেস্তোরাঁ ও ধাবা চালু করেছিলেন। ২০২১ সালে তা শুরু হয়। এই ধাবার পেছনে রয়েছে বিরাট বাগান। আর তারই পেছনে পর্দা দেওয়া তাঁবু ঘিরে বাড়ছে রহস্য। তাঁর ব্যবসাগুলির উপর নজরদারি চালাচ্ছে ED।

এই সময় ডিজিটালের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, সেই তাঁবুর ভেতর পাতা চৌকি। ইতিউতি ছড়ানো রয়েছে মদের গ্লাস। জলের বোতল। এই তাঁবুগুলিতে কি হত? সেখানে কি বসত মদের আসর? তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। যদিও স্থানীয়দের দাবি ওখানে অনেকে বিশ্রাম নিতেন।

Santanu Banerjee : সিমকার্ডের দোকান থেকে ধাবা, রিসর্টের মালিক! শান্তনুর উত্থানে হতবাক পড়শিরা
যদিও এই বিষয়ে মুখে কুলুপ স্থানীয়দের। এলাকার যুবক দেবকুমার জয় ধর শান্তনুকে দেদার সার্টিফিকেট দিয়েছেন। তিনি বলেন, “দাদা খারাপ মানুষ, একথা বলা যায় না। এলাকার অনেকের উপকার করেছেন তিনি। এখন যা সব শুনছি তা বিশ্বাস হয় না। এই ধাবায় খারাপ কিছু হতে কখনও দেখিনি।”

যদিও ওই ধাবা নিয়ে আবার অপর অংশের অন্য মত। ২০২১ সালে এই ধাবা তৈরির সময় এসটি কে কে রোড সংলগ্ন এলাকায় চারটি পরিবার বসবাস করত। তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন এই তৃণমূল নেতা। কিন্তু, পরবর্তীতে তা পালন করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, জমি দিতে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও একাংশের অভিযোগ।

Santanu Banerjee: সিম বিক্রেতা থেকে বিদ্যুৎ সংস্থার সামান্য চাকরিতেও অগাধ সম্পত্তি! শান্তনুর লাইফস্টাইল নিয়ে অস্বস্তি দলেও
উল্লেখযোগ্যভাবে, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনযাত্রা নিয়ে অস্বস্তিতে ছিল দলও, এমনটাই দাবি করেছেন বলাগড় ব্লকের তৃণমূল সহ সভাপতি তপন দাস। উল্লেখযোগ্যভাবে এই নেতা বলেন, “ওর আয়ের সঙ্গে কোনওভাবেই সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না ব্যয়। ও না থাকলে দল আরও শক্তিশালী হবে।” তাঁর এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তাঁকে নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছিল দল। কিন্তু, শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এখনও কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনযাত্রা নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে বলাগড় ব্লকের তৃণমূল সহ সভাপতির এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Santanu Banerjee : রাজনীতিতে উল্কার গতিতে উত্থান, কী ভাবে দুর্নীতিতে জড়ালেন হুগলির শান্তনু?
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে মোবাইলের সিম কার্ডের ব্যবসার মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু শান্তনুর। তাঁর বাবা ছিলেন বিদ্যুৎ দফতরের কর্মী। ২০১৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষের দায়িত্ব নেন। সেক্ষেত্রে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান শান্তনুর কাছে কী ভাবে বিলাসবহুল গাড়ি, রেস্তোরাঁ এল? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *