একটি লিস্ট দেখিয়ে এদিন তৃণমূল মুখপাত্র দাবি করেন, ”শুভেন্দু অধিকারীর সুপারিশ করা ১৫০ জনের মধ্যে আদালতের রায়ে ৫৫ জনের চাকরি গিয়েছে। কাঁথি, পটাশপুর, খেজুরি, ভূপতিনগর, দেশপ্রাণ বিভিন্ন এলাকার চাকরিপ্রার্থী সেই তালিকায় আছেন, যাদের নাম শুভেন্দু সুপারিশ করেছিলেন।”
এই নথি তুলে ধরে কুণাল চাকরি বাতিলের তালিকায় থাকা একটি নাম সঞ্জীব সুকুল ওরফে শুক্লা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই ব্যক্তি শুভেন্দু অধিকারির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সঞ্জীব সুকুলের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কুণাল বলেন, ”সঞ্জীব সুকুল শুভেন্দু অধিকারীর ডানহাত। গোটা মেদিনীপুর জানে। চাকরি দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা যদি তদন্ত করে তাহলে এই তালিতা বাদ যাবে কেন? আমাদের দাবি শুভেন্দু কে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করুক তদন্তকারী সংস্থা। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যখন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তাহলে শুভেন্দু কেন গ্রেফতার হবেন না। একইসঙ্গে চাকরি বাতিলের তালিকায় নাম থাকা ৫৫ জনকেও এই মামলায় ট্যাগ করে তারা কে খতিয়ে দেখা হোক। এই ১৫০ জন কারা, কীভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, সব খতিয়ে দেখুক ইডি, সিবিআই ।”
এখানেই শেষ নয় তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদককের মন্তব্য, ”এখন সাধু সেজে তৃণমূলের গায়ে কাদা ছুঁড়ছে। কয়েকদিন আগেই শুভেন্দুকে রেগে গিয়ে একজনকে বলতে শোনা গিয়েছে, ওকে জিজ্ঞাসা করুন কার দয়ায় ও চাকরি পেয়েছে। অর্থাত্ ও যে চাকরি দেওয়ার ব্যাপারে জড়িত তা নিজে মুখ দিয়েই বলে ফেলেছে।”
নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে এবার শুভেন্দু অধিকারীর নাম করে কুণাল ঘোষের করা অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে।
