ভুয়ো শিক্ষক, ভুয়ো গ্ৰুপ-ডি। এবার ভুয়ো গ্ৰুপ-সি। হাইকোর্টের নির্দেশে গ্ৰুপ-সি পদে কয়েকশো জনের চাকরি বাতিলের তালিকা। তালিকায় অন্যান্য জেলার পাশাপাশি বালুরঘাট সহ দক্ষিণ দিনাজপুরেরও বেশ কয়েকটি স্কুলের গ্ৰুপ-সি’র নাম রয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বালুরঘাট হাইস্কুলের দু,জন, বালুরঘাট খাদিমপুর হাইস্কুলের একজন, খাসপুর হরেকৃষ্ণ হাইস্কুলে একজন ও বাউল পরমেশ্বর হাইস্কুলের একজনের নাম প্রকাশ্যে এসেছে।
এছাড়াও জেলাতে আরও অনেক রয়েছে বলেই খবর। এদিকে শনিবার এই স্কুল গুলিতে গেলে দেখা যায় চাকরি বাতিল যাওয়ারা অনুপস্থিত। শুধু আজ নয় বিগত কিছু দিন ধরে স্কুলে আসছেন না। এদিকে খাদিমপুর স্কুলের গ্রুপ সি কর্মী বহুদিন আগে অন্যত্র বদলিও নিয়েছেন। খাদিমপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক তমাল চক্রবর্তী জানিয়েছেন। এমনকি চাকরি যাওয়ার বিষয়ে কোনও লিস্ট এখনও পাননি বলেই বালুরঘাট হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিখিল রায় জানিয়েছেন।
এদিকে চাকরি যাওয়া গ্রুপ সি কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। অনেকে বাড়িতেও নেই বলেই খবর। জেলাতে এমন প্রায় ২০ জনের নাম রয়েছে বলে খবর৷ তবে এনিয়ে সঠিক কোন তথ্য সরকারি ভাবে পাওয়া যায়নি৷
এদিকে এনিয়ে সরব হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্ব৷ এবিষয়ে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, ”নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে তা তো দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। সকলেই জানত এদের চাকরি যাবে। সেই মত চাকরি গিয়েছে। সারা রাজ্যের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও শাসক দলের অঙুলি হেলনে অবৈধ ও অসৎভাবে এই চাকরি হয়েছে। তাই আজ না হলেও কাল চাকরি যেতই। কিন্তু সবচেয়ে খারাপ বিষয় হল, চাকরি যাওয়ার ফলে অনেকগুলি পরিবারের উপর দুর্ভোগ নেমে এল। কিন্তু কিছু করার নেই।”
অন্যদিকে, এবিষয়ে তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর সুভাষ চাকি বলেন, ”এই বিষয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই। কারণ এটি একটি বিচারাধীন বিষয়। আইন আইনের পথে যাবে। যাদের চাকরি গিয়েছে তারা আদালতে আবেদন করতে পারেন ৷ সেখানেই বিষয়টি বিবেচিত হবে ৷ অন্যদিকে, এবিষয়ে জেলা স্কুল পরিদর্শক(মাধ্যমিক) মৃন্ময় ঘোষ বলেন, এবিষয়ে কোন কিছু তারা পাননি।”
