kaizer Ahmed On DA: ‘ভোটের সময় এলে আর মুরগির মাংস খাওয়াবি না’, DA আন্দোলনকারীদের কটাক্ষ করে বিতর্কে ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা – bhangar trinamool leader khizer ahmed comments for da protester creates controversy


DA আন্দোলনকারীদের এবার ‘হুঁশিয়ারি’ ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদের? ‘ভোট করাতে এলে ওদের মুরগির মাংস খাওয়াবি না’, এই মন্তব্যই করতে শোনা গেল তাঁকে। কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকের এ জোনের সভাপতি কাইজার আহমেদের বিরুদ্ধে। বুধবার ভাঙড়ের ১ নং ব্লকে কিছু ISF কর্মী তৃণমূলে যোগদান করেন।

TMC Joining : ভাঙড়ে ISF-এ ভাঙন, স্লোগানে ‘চোর চোর’ খোঁচা দেওয়া শওকতের হাত ধরেই দলবদল শতাধিক কর্মীর
সেখানেই এই তৃণমূল নেতা বলেন, “তিন নম্বর কলোনীতে একটা প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। সেখানে ২ জন শিক্ষক ১৬ জন ছাত্র রয়েছে। এদের আবার ভাতা দিতে হবে! যত খায় পোষায় আর না। ওঁরা আবার ভোট করাতে আসবে প্রিসাইডিং অফিসার হয়ে। ওঁরা যখন ভোট করাতে আসবেন তখন নিজেদের লোক ভেবে নেবেন না।”

তাঁর সংযোজন, “ওদের মুরগির মাংস খাওয়ানোর চিন্তা করবি না। চাপে রাখবি।” যদিও এরপরেই নিজের জন্য তাঁর মন্তব্য, “ আমি কাউকে বিপদে ফেলার লোক নয়।”

Nawsad Siddiqui : ‘মমতা-অভিষেক দায়িত্ব নিয়ে ভাঙড় চালাক’, নওশাদের মন্তব্যে জল্পনা
কেন এই মন্তব্য করলেন তিনি?
এই বিষয়ে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন কাইজার। তিনি বলেন, “ভাঙড়ের মানুষজন অতিথিদের আপ্যায়ন করতে ভালোবাসে। এটা মানবিকতা। প্রিসাইডিং অফিসাররা বাইরে থেকে আসেন। অনেকে তাঁদের বালব লাগিয়ে দেন বা কেউ রান্না করেও খাওয়ান। এসব বন্ধ করতে বলেছি।” অন্যদিকে, ‘আপ্যায়ন’ করলেও তার সঙ্গে ভোটের প্রভাব পড়ার কোনও সম্পর্ক নেই, দাবি কাইজারের।

Trinamool Congress : রাতারাতি ভোলবদল, ‘একসঙ্গে লড়ব’ বিধায়ক শওকত মোল্লাকে পাশে নিয়ে দাবি ভাঙরের তৃণমূল নেতার
এদিকে তাঁর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই তোলপাড় রাজ্য রাজনৈতিক মহল। ISF বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি বলেন, “এটা ২০১৮ সাল নয়। কেউ একচেটিয়া ভোট করাতে চাইলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ করব। এই ধরনের মন্তব্য করে মানুষজনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেতারা।”

পাশাপাশি, ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন DA আন্দোলনকারীরা। সংযুক্ত যৌথ মঞ্চের তরফে সরকারি কর্মী কিংকর অধিকারী বলেন, “আমরা ভোটের সময় প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে যাব বিভিন্ন কেন্দ্রে। কিন্তু, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছি। প্রতিটি বুথে যাতে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হয় তার জন্য পদক্ষেপ করতে হবে। কোনও নির্দিষ্ট দল নয়, সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের মুখ থেকেই এই ধরনের কথা শোনা যায়।”

DA Hike Demand : অনশন-আন্দোলন এখনই প্রত্যাহার নয়, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের পরেও অনড় DA আন্দোলনকারীরা
তাঁর আরও সংযোজন, “বুথগুলিতে যাতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী থাকে সেই দাবি জানাচ্ছি।” পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কাইজারের এই মন্তব্যে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *