Kalyan Banerjee : ‘সিপিএমের আমলে মুখ খুললে, ডেড বডি পাওয়া যেত…’, তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যে বিতর্ক – kalyan banerjee attacks cpim from his meeting


Hooghly : দলের একাংশের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের একাধিক নেতৃত্বকে। সিতাইয়ের জগদীশ বসু কীর্তনিয়া থেকে শুরু করে ইসলামপুরের আব্দুল করিম চৌধুরী। তৃণমূল কংগ্রেস যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার তা মনে করিয়ে দিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ করছে বিরোধীরাও। তবে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘মুখ খোলার’ সুযোগ দিয়েছেন বলেই তা সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি আইনজীবী ও তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি, বাম জমানার প্রসঙ্গ টেনে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য, “২০১১-র আগে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললে তাঁর ডেড বডি পরে যেত।”

Trinamool Congress Leader : ‘দুর্নীতিতে যুক্ত থাকলে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করা হবে…’, সুর চড়ালেন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নেতা
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কোথাও কোনও অন্যায় থাকে, সেই অন্যায়ের জন্য মুখ খোলার অধিকার দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ এর আগে অন্যায়ের বিরুদ্ধে যদি কেউ মুখ খুলত তার ডেড বডি রাস্তায় পাওয়া যেত সিপিএমের হাতে।” রবিবার বৈদ্যবাটিতে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সিপিএমকে এভাবেই আক্রমণ করেন আইনজীবী তথা শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Mamata Banerjee On Rahul Gandhi : মমতার ‘টিআরপি’ তিরে বিদ্ধ কংগ্রেস হাইকম্যান্ড
এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ বলেন, “২০১১ এর আগে যদি কেউ সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতো, তাঁর ডেড বডি রাস্তায় পাওয়া যেত সিপিএমের হাতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছে, যা কিছু অন্যায় তা আইনের মাধ্যম দিয়ে করতে হবে। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে আইন তার পথে চলবে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বাংলায় উন্নয়নের পথ ধরে বাংলার মানুষের উন্নয়ন করে যাবে।”

Sukanta Majumdar : ‘বর ছাড়া বিয়ে হয় নাকি?’ বিরোধী জোটের মুখ নিয়ে অখিলেশকে কটাক্ষ সুকান্তর
তবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই বক্তব্যের চূড়ান্ত সমালোচনা করেছে স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্ব। এ প্রসঙ্গে সিপিএমের হুগলি জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এখন এসব কথা বলে আর বাজার গরম করতে পারবেন না। তৃণমূল সম্পর্কে মানুষ যা বোঝার বুঝে গিয়েছে।”

Mohammed Salim : বাম আমলে চিরকুটে চাকরি? মুখ খুললেন মহম্মদ সেলিম
তাঁর যুক্তি বাম জমানায় গণতন্ত্র ছিল বলে একাধিক বিরোধী নেতা উঠে এসেছে। সর্বোপরি রাজ্যে পালাবদল তো আদতে গণতন্ত্রের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। দেবব্রত বলেন, “গণতন্ত্র না থাকলে বামফ্রন্টের সময় বিরোধীরা কী ভাবে জিতত ? গনি খান চৌধুরী, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাবে জিততো গণতন্ত্র না থাকলে। পশ্চিমবাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে বামপন্থীরা। পঞ্চায়েত, পুরসভা নির্বাচন বামপন্থীরা করেছে। বিরোধী দলের মর্যাদা বামপন্থীরা দিয়েছে।

Trinamool Congress : DYFI নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে, অভিযোগ ঘিরে শোরগোল
তৃণমূলকে আক্রমণ করে তিনি আরও জানান, “মানুষের কথা বলার অধিকার, গরিব মানুষের আত্মমর্যাদার অধিকার বামপন্থীরা দিয়েছে। এটা শুধুমাত্র বামপন্থী আন্দোলনের ফলেই হয়েছে। আর তৃণমূল গণতন্ত্রের কথা বলছে যে দলে একনায়কতন্ত্র শুধু নিয়ন্ত্রণ করে দেয়। ওদের মুখে গণতন্ত্র মানায় না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *