Recruitment Scam : ‘একটা ইট ঠিকঠাক গাঁথতে পারিনি, আর কাজ দেব?’ সুকান্তর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি কাউন্সিলরের – sukant majumder complaint is baseless claim trinamool councilor saraswati pal


West Bengal News : নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে BJP-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেছেন হুগলি জেলার চুঁচুড়া পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলর সরস্বতী পাল পুরসভাতে চাকরি দিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ ও পরিচিতদের। সেই প্রসঙ্গে এদিন সরস্বতী পাল বলেন, “আমি আমার ওয়ার্ডে একটা ইট এখনও ঠিকঠাক মতন গাঁথতে পারিনি, কাজ দেওয়া তো দূরের কথা।”

BJP Councillor : টিভি সারিয়ে দিন গুজরান, খেটে খাওয়া BJP কাউন্সিলরে মুগ্ধ এলাকাবাসী
সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেন হুগলি চুঁচুড়া পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সরস্বতী পাল। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “উনি একজন রাজ্য সভাপতি। ওনার চেয়ারকে আমি সম্মান করি। উনি এখন চারিদিকের আবহাওয়ায় কি বলতে কি বলেছেন জানিনা। কাউন্সিলর হয়েছি হয়ত ঠিকঠাক মতন একটা বছর হয়েছে। আমি ওয়ার্ডে একটা ইট এখনও ঠিকঠাক মতন গাঁথতে পারিনি কাজ দেওয়া তো দূরের কথা। আমার কাছে আমার পরিবার যেমন ওয়ার্ডের বাকি সাধারণ মানুষও তেমনি। উনি কাজ দেওয়ার কথা বলেছেন সেটা পুরো ভিত্তিহীন।”

Sweta Chakraborty : ‘পারিশ্রমিক হিসেবে গাড়ি দিয়েছিলেন’, মুখ খুললেন অয়ন ‘ঘনিষ্ঠ’ শ্বেতা
কাউন্সিলর আরও বলেন, “আমার পরিবারের দু-একজন যদি পুরসভার কাজ পেয়ে থাকে পুর প্রধানের কাছে অনুরোধ করে তাহলে সেটার মধ্যে ভুল কোথায়। আমার পরিবারে আমার ছেলে মেয়ে কেউ কাজ করে না। যে LIC করে তাকে কাজ দেওয়া কি করে সম্ভব। আগে আমার স্বামী কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি তাকেই কাজ দিয়েছেন যে নিঃস্বার্থভাবে দল করেছে। যারা দল করেছে আমার পরিবারের বা বাইরের প্রতিটি মানুষই আমার কাছে সমান।”

এই প্রসঙ্গে সরস্বতী বলেন, “খুব সম্প্রতি আমার এক বোন কাজ পেয়েছে নির্মল বন্ধু হিসাবে। উনি যেসব কথা বলছেন সেটা পুরোটাই ভিত্তিহীন। আপনারা পুরসভায় তদন্ত করে দেখতে পারেন। সব কাজই অস্থায়ী কর্মী হিসাবেই দেওয়া হয়েছে।”

Sweta Chakraborty Model : ‘সাধারণ মেয়ে’ শ্বেতার উত্থানে অবাক পড়শিরা
এই প্রসঙ্গে হুগলির চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় বলেন, “আমি আসার পর নতুন করে কোনও নিয়োগ হয়নি। যেটা হয়েছে সেটা নির্মল বন্ধু ও নির্মল সাথী, এছাড়া আর কোনও নিয়োগ হয়নি। এটা জানা সম্ভব নয় কে কোথায় কার আত্মীয় কাজ করছে। হাওয়ায় কথা ছেড়ে দিলেই হয় না। সুকান্ত মজুমদার এত বড় নেতা রাজ্যের, সে একজন পুরসভার কাউন্সিলরের পরিবার নিয়ে কথা বলছেন। এটা লজ্জাজনক। স্থায়ী নিয়োগের কোনও প্রশ্নই নেই কোথাও।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *