Sujan Chakraborty Wife : ‘বাড়ির সবচেয়ে সৎ মেয়ে মিলি…’, সুপারিশ অভিযোগের মাঝেই সুজনের স্ত্রীর ‘স্ট্রাগল’ বর্ণনা শ্যালিকার – sujan chakraborty wife mili chakraborty life story described by her sister amid recruitment scam allegations


নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের মাঝেই তৃণমূলের নিশানায় সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রী (Sujan Chakraborty Wife)। ১৯৮৭ সালের জয়েনিং লেটার নিয়ে মিলি চক্রবর্তীর চাকরি আদতে সুপারিশের মাধ্যমে হয়েছে বলেই দাবি করা হয়। এই মর্মে সরব হন কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসুরা। মুখ খোলেন সুজন জায়াও। কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন মিলি চক্রবর্তী। তিনি বলেছেন, “কোনও অনিয়ম থাকলে তা খুঁজে বের করে তদন্ত করা হোক।” আর এবার তাঁর সমর্থনে লিখলেন বোন অপর্ণা ভট্টাচার্য। ছাত্রজীবন, চাকরিজীবন এবং বিয়ের সময়ের কাহিনি বর্ণনা করে সুজনেপ শ্যালিকা বলেন, “বাড়ির সব থেকে সৎ মেয়ে মিলি।”

Sujan Chakraborty Wife : ৮৭ সালের চিঠিতে ২০২০-র স্ট্যাম্প! সুজন জায়ার চাকরির লেটার নিয়ে তৃণমূলকে ট্রোল বামেদের

মিলি চক্রবর্তীর পাশে বোন অপর্ণা

সোশাল মিডিয়ায় একটি বহু পুরনো ছবি শেয়ার করেছেন সুজন চক্রবর্তীর শ্যালিকা অপর্ণা ভট্টাচার্য। যেখানে বিয়ের সাজে দেখা যাচ্ছে পাত্রী মিলি এবং পাত্র সুজন চক্রবর্তীকে। আড়ম্বরহীন সাদামাটা এই বিয়ের ছবির সঙ্গেই অপর্ণা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন তাঁর দিদির মিলির জীবনের অনেকখানি সময়ের কাহিনি।

Firhad Hakim On Teacher Recruitment : ‘চিরকুটে লোক ঢোকানো যায় না’, ফিরহাদের গলায় ভিন্ন সুর
অপর্ণা বলেন, “এটা আমার বড় দিদি মিলির বিয়ের ছবি। ভালো করে দেখলে বোঝা যাবে মিলির হাতে শাঁখা পলা ছাড়া কোনও চুড়ি নেই। গলায় কোনও সোনার হার নেই। সোনালি যেটা দেখা যাচ্ছে সেটা ওড়নার সস্তার জরির বর্ডার। মিলির বাবার ক্ষমতা ছিল না মেয়েকে সোনা দেওয়ার। মিলি যে শাড়িটা পড়ে আছে সেটা আমার মা, মিলির নতুন কাকিমার দেওয়া। আমার জ্যেঠুর সামর্থ ছিল না বেনারসি কিনে দেওয়ার। মিলি তাই ওর বিয়ের দিন পরেছিল হলুদ রঙের তাঁত সিল্ক। মিলির ঝলমল হাসিতে দামি শাড়ি গয়নার অভাব ঢাকা পড়ে গিয়েছিল।”

Sujan Chakraborty Wife: ‘রাজ্য সরকারের কোনও পরীক্ষা দেননি…’, সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রীয়ের চাকরি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখা বিমান বসুর
অপর্ণা ভট্টাচার্যের আরও সংযোজন, “মিলির বিয়েতে অতিথিদের খাওয়ানোর জন্য মাংস ছিল না। কাতলা মাছ আর ফুলকপির তরকারি ছিল। ক্যাটারার বলার মত আর্থিক অবস্থা মিলির হোলটাইমার বাবা আর প্রাথমিক শিক্ষিকা মায়ের ছিল না। অনেক পরে মিলির বর যখন সাংসদ, বাবা জেলা সম্পাদক, মিলি তখনও ভিড় ঠাসা ক্যানিং লোকালে অ্যান্দ্রিউজ কলেজে কেরানিগিরি করতে যেত।” সবশেষে আবেগঘন বোনের বার্তা, “মিলি। আমাদের বড় দিদি। আমাদের বাড়ির সব থেকে সৎ, সব থেকে উদার, সব থেকে সরল, সব থেকে ভালো মেয়ে।”

Bratya Basu : বাম আমলের নিয়োগও ইডি-সিবিআই তদন্তের আওতায় আসুক : ব্রাত্য
ঠিক যখন সুপারিশে পাওয়া চাকরির অভিযোগ তোলা হচ্ছে অ্যান্ড্রুজ কলেজের প্রাক্তন কর্মী মিলি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে, তখন তাঁর বোনের লেখা এই কথাগুলোই যেন তাঁর সার্টিফিকেট লিখে দিল। বামপন্থী কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলের অভিযোগের পালটা হিসেবে অপর্ণা ভট্টাচার্যের এই বয়ানকেই হাতিয়ার করে প্রচার করছেন।


Sujan Chakraborty Wife: পরীক্ষা না দিয়েই কলেজে চাকরি! স্ত্রীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন সুজন
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের আগেই এই চাকরি পেয়েছিলেন মিলি চক্রবর্তী। স্নাতক স্তর থেকেই নিজে টিউশনি করতেন মিলি চক্রবর্তী। তারপর বিএডে ভর্তি হন। দিনে চাকরি এবং বিকেলে কলেজে পড়াশোনা করতেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএডে লিখিত পরীক্ষা দেন তিনি। খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেখে চাকরির জন্য দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজে আবেদন করেন তিনি। ইন্টারভিউ বোর্ডের পরীক্ষায় পাস করার পর চাকরি হয় তাঁর। সেই ইন্টারভিউতে তিনি ফার্স্ট হয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন মিলি চক্রবর্তী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *