Sujan Chakraborty Wife Job : ‘কেল্টু-বিল্টু, নন্টে-ফন্টে!’ সমীর পুতুতুণ্ডর দাবি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ সুজনের – sujan chakraborty reacts on samir putatunda allegation regarding cpim leader wife job


সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রী মিলি ভট্টাচার্যের চাকরির নিয়োগপত্র (Sujan Chakraborty’s Wife recruitment) সামনে আসা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছিল তাঁর চাকরি হয়েছে সুপারিশের মাধ্যমে। এবার মিলি চক্রবর্তীর চাকরি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন প্রাক্তন বাম নেতা। CPIM-এর প্রাক্তন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা সম্পাদক তথা PDS নেতা সমীর পুততুণ্ড (Samir Putatunda) দাবি করেন, সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রীর চাকরি তিনি ‘করে দিয়েছিলেন’। এই অভিযোগ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সুজন চক্রবর্তী।

Sujan Chakraborty Wife : ৮৭ সালের চিঠিতে ২০২০-র স্ট্যাম্প! সুজন জায়ার চাকরির লেটার নিয়ে তৃণমূলকে ট্রোল বামেদের

কী প্রতিক্রিয়া সুজন চক্রবর্তীর?

সমীর পুতুতুণ্ডর অভিযোগের জবাবে এই সময় ডিজিটালকে সুজন চক্রবর্তী বলেন, “কেন বলতে যাব? কেল্টু-বিল্টু, নন্টে-ফন্টে, রাম-শ্যাম। যখনকার কথা বলছেন উনি তখন জেলা পার্টির সম্পাদক নন। কাউকে খুশি করার জন্য বলে থাকতে পারেন। নম্বর বাড়ানোর চেষ্টা করছেন হয়ত।” অর্থাৎ সমীর পুতুতুণ্ডর অভিযোগে তিনি যে বিন্দুমাত্র আমল দিচ্ছেন না, তা কার্যত নিজের কথাতেই বুঝিয়ে দিয়েছেন CPIM নেতা।

Sujan Chakraborty Wife: পরীক্ষা না দিয়েই কলেজে চাকরি! স্ত্রীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন সুজন
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সমীর পুততুণ্ড ছিলেন CPIM-এর দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা সম্পাদক। দলের রাজ্য কমিটির সদস্যও ছিলেন তিনি। সুজন চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনিও জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হয়েছিলেন ১৯৮৮ সালে। সুজন জায়া মিলি চক্রবর্তীর বাবা শান্তিময় ভট্টাচার্য ছিলেন CPIM-এর দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সম্পাদক। তবে যে বছর মিলি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন, অর্থাৎ ১৯৮৭ সালে ওই জেলায় CPIM-এর সম্পাদক পদে ছিলেন ক্ষুদিরাম ভট্টাচার্য। CPIM থেকে বেরিয়ে PDS তৈরি করেন সমীর পুতুতুণ্ড।

Sujan Chakraborty Wife : ‘বাড়ির সবচেয়ে সৎ মেয়ে মিলি…’, সুপারিশ অভিযোগের মাঝেই সুজনের স্ত্রীর ‘স্ট্রাগল’ বর্ণনা শ্যালিকার
কী দাবি করেন সমীর পুতুতুণ্ড?

PDS তথা প্রাক্তন বাম নেতা সমীর পুতুতুণ্ডের দাবি, মিলি চক্রবর্তীর চাকরি সুপারিশেই হয়েছে। বাম জমানায় এইভাবে হাজার হাজার চাকরি হয়েছে। তিনি জেলা নেতৃত্বে থাকাকালীন সময় গড়িয়ার দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজে মিলি চক্রবর্তীর চাকরিটা তিনিই করিয়ে দিয়েছিলেন। তবে এ জন্য কোনও টাকাপয়সার লেনদেন ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে তিনি এ হেন দাবি করার পর থেকেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।

Kunal Ghosh : পরীক্ষা না দিয়ে গড়িয়ার কলেজে চাকরি সুজনের স্ত্রীর! নথি দেখিয়ে কুণাল বললেন, ‘তদন্ত হবে’
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আগেই সুজন জায়ার চাকরি নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। কুণাল ঘোষের অভিযোগ, সুপারিশের মাধ্যমেই চাকরি হয়েছে মিলি চক্রবর্তীর। তবে এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দেয় বামফ্রন্ট। মিলি চক্রবর্তীও জানান, তাঁর চাকরিতে কোনও অনিয়ম ছিল না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *