ঝাঁঝালো বুধের পর বৃহস্পতিতে অনেকটাই হালকা মুডে দেখা যায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকালে মঞ্চে বসেই গান শুনতে শুনতে কাগজ পড়েন। জরুরি কথা বার্তাও সেরে নেন নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে। তৃণমূলপন্থী ছাত্র-ছাত্রীদের শোনান নিজের ছাত্রজীবনের গল্প। বলেন,
”আমি যখন কলেজে ছাত্র রাজনীতি করতাম, তখন মিন্টু দাশগুপ্ত একটা ব্লকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। উনি একটা গানের স্কোয়াড খুলেছিলেন। সেখানে আমি লিড করতাম।”
ধরনা মঞ্চে রয়েছেন সুব্রত বক্সী, অরূপ বিশ্বাস, বাবুল সুপ্রিয়, ইন্দ্রনীল সেন, মনোজ তিওয়ারি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিম সহ আরও অনেক।
বুধবার এই মঞ্চ থেকেই শুধু কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধেই নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হন কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধেও। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকেও কটাক্ষ করেন তিনি। বলেন,” এক বাবু রয়েছে যে কথায় কথায় সিবিআই-ইডি পাঠানোর ভয় দেখাচ্ছে।” চাকরি দুর্নীতি প্রসঙ্গে আক্রমণ করে সিপিএম-কেও। বলেন, গনশক্তির পেনশনের খাতা নেড়েচেড়ে দেখার হুঁশিয়ারিও দেন।
এমনকী ডিএ ধরনা মঞ্চের আন্দোলনকারীদের নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, “এখানে গিয়ে এই চাই, ওখানে গিয়ে এই চাই করে বেড়াচ্ছে। চোর ডাকাতগুলো এই কাজ করছে। যে চোর ডাকাতগুলো চিরকুটে চাকরি পেয়েছিল, তারাই গিয়ে ডিএ-র ওখান বসে আছে।”
