এদিকে, সোমবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ফের রিষড়াতে শুরু হয় গন্ডগোল। বোমবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর আতঙ্কে স্টেশনে লোকাল ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় এলাকায়। ঘটনার প্রভাব পড়ে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে। রাতে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রিষড়া, কোন্নগর সহ বেশ কিছু স্টেশনে ট্রেন দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন যাত্রীরা। এমনকী কোন্নগর স্টেশনে দূরপাল্লার ট্রেনও দাঁড়িয়ে পড়ে।
সোমবার রাতে দফায় দফায় অশান্তির পর মঙ্গলবার সকালে থমথমে পরিস্থিতি রিষড়ায়। রিষড়া, শ্রীরামপুরে জারি ১৪৪ ধারা। টহল দিচ্ছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। চলছে পুলিশের মাইকিং। প্রয়োজন ছাড়া এলাকাবাসীকে ঘর থেকে বেরতে নিষেধ করা হয়েছে। এদিকে, মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছিলেন BJP রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রিষড়াকাণ্ডে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এদিকে, জানা গিয়েছে, সুকান্ত ধরনায় বসার আগেই তাঁর মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সোমবারই পূর্ব মেদিনীপুরের সরকারি সভা থেকে রামনবমীর মিছিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ‘পাঁচদিন ধরে কেন রামনবমীর মিছিল’ সেই নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী ভাঙচুর করলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সরব হন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “বাংলার সম্প্রীতির পরিবেশকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিঘ্নিত করার পরিকল্পনা নিয়েই এই ধরণের অশান্তি ছড়াচ্ছে BJP।” হাওড়া শিবপুরের সংঘর্ষের জন্য সরাসরি BJP-কেই দায়ী করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
