সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কৃষকদের ফড়েরা যাতে কম দামে আলু বিক্রি করতে যেন বাধ্য না করে। সেক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধ্বে আমরা কড়া পদক্ষেপ নেব।” এই বলে হুশিয়ারীও দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
তিনি আরও বলেন, “সারের কালোবাজারি নিয়েও কড়া পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা। এবার আলুর কালোবাজারি নিয়েও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” মন্ত্রী বলেন, “আমরা জেলাতে হিমঘরের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। কৃষিতে পরিকাঠামো উন্নয়ন ফান্ডের মাধ্যমে জেলায় জেলায় হিমঘর তৈরী করা হবে। বড় হিমঘরের পরিবর্তে ছোট ছোট করে অনেক হিমঘর করা হবে। এবার অনেক আলুচাষি পর্যাপ্ত হিমঘরের অভাবে আলু রাখতে পারেননি।”
মন্ত্রীর অভিযোগ, ফড়েরা হিমঘর আলুর বণ্ড কিনে রাখার ফলে তারা আলু চাষিদের কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য করছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। কৃষি আধিকারিকদের বিষয়টি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি একটি বড় হিমঘরের পরিবর্তে জেলায় বেশি করে হিমঘর নির্মানে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার, একথা জানালেন মন্ত্রী।
এদিন জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউজে এসে কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সরকার চাইছে কম জলে কীভাবে চাষ করতে পারা যায়। স্প্রিংলারের মাধ্যমে জল সেচের মাধ্যমে চাষ করা হবে।” এদিন মন্ত্রী জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউজ থেকে কোচবিহারে যান।
সেখানে বিকেলে তিন জেলার আধিকারিকদের নিয়ে মিটিং করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বস্তা প্রতি আলুর দাম বাড়ানো নিয়ে রাজ্য জুড়ে মাঝে মধ্যেই আন্দোলনে নামছেন আলু চাষিরা। কিছু কিছু জায়গায় রাস্তায় আলু ফেলেও বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আর এবার খোদ মন্ত্রী ফড়েদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। এবার চাষি থেকে ফড়ে, প্রত্যেকের নজর এই আন্দোলনের জল কতদূর গড়ায় সেইদিকে।
