Sushant Singh Rajput, Me Too, Apurba Asrani, জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মৃত্যুর পর কেটে গেছে প্রায় ২ বছর, তবে আজও তাঁর স্মৃতি সতেজ রয়েছে বলিউড থেকে শুরু করে দর্শকের মনে। এখনও নানা প্রসঙ্গে তাই নাম উঠে আসে সুশান্ত সিং রাজপুতের। সম্প্রতি প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে, কীভাবে বলিউডে তিনি রাজনীতির শিকার হয়েছিলেন। প্রিয়াঙ্কার এই মতামতকে পূর্ণ সমর্থন করেছেন ফিল্মমেকার অপূর্ব আসরানি। তিনি বলেন যে, একটা সময় সত্যিই কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কিন্তু শুধুই প্রিয়াঙ্কা নয়, আরও অনেক তারকাই নানা সময়ে বলিউডের নোংরা রাজনীতি ও লবির শিকার হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম সুশান্ত সিং রাজপুত।
আরও পড়ুন- Jeet: PR-এ নেই, মিডিয়ায় নেই, তবু টলিউডে কোন মন্ত্রে জিৎ-রাজ!
এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে অপূর্ব আসরানি বলেন যে, ‘যদি কেউ সত্যি কথা মুখের উপর বলে, অপমানিত হলে প্রতিবাদ করে, মধ্যযুগীয় মানসিকতার না হয়, তাহলে তাঁদের কোণঠাসা করা হয়।’ সম্প্রতি তিনিই ফের বোমা ফাটালেন। ফিল্মমেকারের দাবি যে, মিথ্যেভাবে মিটু অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুতকে। এক বড় প্রযোজকের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন অভিনেতা। আর এর ঠিক কিছুদিন পরেই এক সাংবাদিক সুশান্তের বিরুদ্ধে অশ্লীল ব্যবহারের অভিযোগ আনেন। আসরানি বলেন, ‘আমি একটি পাবলিক প্লেসে ঐ সাংবাদিককে ডেকে বলি যে এই মিথ্যে আরোপ বন্ধ কর। এরপরেই একাধিক সাংবাদিক আমাকে ব্যান করতে শুরু করে দেয়।’
আসরানি আরও বলেন, ‘আমার শেষ ওয়েব সিরিজের কেউ রিভিউ লেখেননি। যদি সেই সিরিজ দারুণ জনপ্রিয় হয়েছে কিন্তু কেউ একটা স্টোরিও করেনি। কিন্তু বিষয় হল যে ঐ সাংবাদিক যিনি সুশান্তকে অভিযুক্ত করেছিল, সেই সাংবাদিক এখন ঐ প্রযোজক যার সুশান্তের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল সেই প্রযোজকের সংস্থায় মোটা মাইনের চাকরি করেন।’ পাশাপাশি আসরানি বলেন যে সুশান্তের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রির প্রভাবশালীরা। পরিচালক অভিষেক কাপুরের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘অভিষেক একটা কথা ঠিকই বলতেন, এটা হল এক ধরনের অবস্থান যেখানে ধীরে ধীরে ঐ ব্যক্তি ভিড়ের মাঝেও একা হয়ে যায় এবং সবাই তাঁকে এড়িয়ে চলে।’
আরও পড়ুন- Srabanti: পরিচালকের সঙ্গে সম্পর্কের জল্পনা! প্রেমিক নয়, শ্রাবন্তীর স্বামী শুভ্রজিৎ!
আসরানি বলেন, ‘বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ডে সুশান্তকে একঘরে করে দেওয়া হত। ওর শেষ ছবি ১০০ কোটি ব্যবসা করেছিল তবু সেই ছবিকে ফ্লপ ঘোষণা করা হয়। ওর বুদ্ধিমত্তাকে এমনভাবে তুলে ধরা হত, ওর শব্দগুলো এমনভাবে বোঝানো হত যে মনে হত ওর কোনও মানসিক সমস্যা আছে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওর বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছিল কিন্তু আমরা কিছু বলতে পারিনি। দেখানো হত যে ওর হাতে অনেক অফার কিন্তু অ্যাটিটিউডের কারণে ও ছবি করছে না’।
