Birbhum News : সদ্যোজাতকে খুনের পর আত্মহত্যার চেষ্টা, নেপথ্যে স্বামীর পরকীয়া? – birbhum woman allegedly arrested murdering new born baby


West Bengal News : বিয়ের আগে থেকে এক মহিলার সম্পর্ক ছিল স্বামীর, অভিযোগ এমনই। সেই সম্পর্ক বিয়ের পরও বজায় রাখেন তিনি। তা নিয়েই অনেকদিন ধরেই অশান্তি বাঁধত দম্পতির মধ্যে। শনিবার সেই অশান্তি চরমে পৌঁছে যায়। আর সেই কারনেই সদ্যোজাত শিশু সন্তানকে মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক গৃহবধূ। ওই গৃহবধূ প্রাণে বাঁচলেও মৃত্যু হয়েছে ১৮ দিনের ওই শিশুর। জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার রূপপুর পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সোনাই টুডু ও তার স্ত্রী মালতি টুডু। তাদের বিয়ে হয় বছর দুয়েক আগে। কিন্তু বিয়ের আগে থেকেই অন্য একটি সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন সোনাই।

Bolpur Assault Case : বোলপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, নদী চর থেক নগ্ন অবস্থায় উদ্ধার
কিন্তু সোনাই টুডুর বিয়ের পরও সেই সম্পর্কের ইতি হয়নি। অভিযোগ, সেই কথা জানাজানি হতেই ১৮ দিনের শিশুকে শ্বাসরোধ করে খুন করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মালতি টুডু। কিন্তু আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করেন তাকে।

এই যাত্রায় সে প্রাণে বেঁচে গেলেও শিশুটিকে আর বাঁচানো যায়নি। খবর পেয়েই শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। ওই শিশুর মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয় বোলপুর হাসপাতালে। এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে মালতি টুডু, শিশুর দাদু তালা টুডু সহ চারজনকে।

Civic Volunteer : ডাইনি অপবাদে দম্পতি খুনের ঘটনায় কড়া পুলিশ, কর্তব্যে গাফিলতিতে বরখাস্ত ১৭ জন সিভিক ভলান্টিয়ার
তবে এই ঘটনার পরই পলাতক শিশুর বাবা সোনাই টুডু। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ওই দম্পতির প্রতিবেশী বিজয় হেম্ব্রম জানান, “পরকীয়ার কারণে সোনাই টুডুর সঙ্গে মালতি টুডুর প্রায়ই অশান্তি হত। এমনকি সোনাই প্রতিদিনই মৃত্যু কামনা করত তার স্ত্রীর। ঝগড়ার সময় স্ত্রীকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দিত।

Birbhum News : গাছের ডালেই ঝুড়ি বেঁধে রাখা ফল-জল, দলছুট বাঁদরের পাশে এলাকাবাসী
ওদের বাড়ি থেকে প্রচুর চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ আসছিল শনিবার। অবস্থা চরমে পৌঁছে গেলে আমরা সবাই মিলে দৌড়ে যাই ওদের বাড়িতে। গিয়েই দেখি মালতি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছে। আর পাশেই পড়ে আছে মাত্র ১৮ দিনের বাচ্চার নিথর দেহ। আমরাই মালতিকে গলায় ফাঁস লাগানো থেকে উদ্ধার করি”।

যাই হয়ে যাক না কেন, ওই ১৮ দিনের শিশুটির এই ঘটনায় কি দোষ ছিল, আর তার প্রাণ কেন নেওয়া হবে, এই প্রশ্নই উঠছে সব মহলে। এদিকে পুলিশের তরফ থেকে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। পারিবারিক অশান্তি না কি অন্য কোনও বিষয় রয়েছে, সবটাই পুলিশ খতিয়ে দেখছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *