প্রথমে খানিক অবাক হয়ে যান কাউন্সিলর সহ সেখানে উপস্থিত সকলে। প্রতিবাদ করতেই ওই যুবকরা কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড অফিসে থাকা পুরকর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ। মারধর করা হয় কাউন্সিলরকে। এমনকী চুলের মুঠি ধরে মারার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মেরে তাঁদের জামাও ছিঁড়ে অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।
কাউন্সিলর ও সেখানে উপস্থিত মহিলারা জানিয়েছেন, ওয়ার্ড অফিস থেকে যাওয়ার সময় ওই দুষ্কৃতীরা কাউন্সিলরকে হুমকি দেয় এবং পরে তাঁকে দেখে নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এমনকী সেখানে উপস্থিত পুরকর্মীদেরও কাজে যোগ দিতে বারণ করে দুষ্কৃতীরা। তবে ওই দুষ্কৃতীরা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কিনা, তা জানা নেই বলেই জানিয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। রাতেই কল্যাণী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এই ঘটনায় তাঁর যথেষ্টই আতঙ্কিত বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলর ও সেখানে উপস্থিত মহিলা পুরকর্মীরা।
কাউন্সিলর বাসন্তী রায় এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমি ওয়ার্ড অফিসে বসে কাজ করছিলাম। পুরসভার কর্মীরাও সেখানে ছিল। হঠাৎ করেই দেখি কয়েকজন দুষ্কৃতী সেখানে ঢুকে মেয়েদের ছবি তুলছে। আমি বাধা দিলেই আমাকে তারা চেপে ধরে। চুলির মুটি ধরে মারতে শুরু করে দিয়েছে। মেয়েদেরও মারধর করা হয়। আট থেকে ১০ জন দুষ্কৃতী সেখানে ছিল। সবাই খুবই ভয় পেয়ে যান। আমি কয়েকজনকে চিনি, ওঁরা সকলেই এলাকার দুষ্কৃতী। আমি এঁদের রাজনীতি করতে দেখিনি”
পুরকর্মী সোমা রায় এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমি আমাদের পুরপ্রতিনিধির পাশে বসেছিলাম। তখন কিছু দুষ্কৃতী এসে এখানে ছবি তুলছিল। কাউন্সিলর বাধা দিতেই তাঁকে মারধর করা হয়। এরা সকলেই দুষ্কৃতী। আমরা মনে হয় পরিকল্পনা করে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।”
