Bimalendu Singha Roy : প্রবল দাবদাহে কম্বল বিতরণ! বিতর্কের মধ্যেই মুখ খুললেন তৃণমূল বিধায়ক – nadia karimpur tmc mla bimalendu singha roy distributes blanket in summer


বৈশাখের গরমে পুড়ছে গোটা রাজ্য। আবহাওয়া দফতরের তরফে বিভিন্ন জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গরমে যখন বঙ্গবাসী অতিষ্ঠ, তখন কম্বল বিতরণ করে বিতর্কে জড়ালেন নদিয়া জেলার করিমপুরের তৃণমূল বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহ রায় (Trinamool MLA Bimalendu Singha Roy)। বিধায়কের এই কাণ্ড নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিধায়ককে এই নিয়ে কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছে অনেককে।

Heatwave Alert : পয়লা বৈশাখে অস্বস্তিকর জ্বালা ধরাবে গরম! ৬ জেলা নিয়ে সতর্কবার্তা হাওয়া অফিসের
প্রখর রোদে বঙ্গবাসীর জীবন জেরবার। চাঁদিফাটা রোদের তাপে বেশিক্ষণ বাইরে দাঁড়িতে থাকা যাচ্ছে না, তখন কোন যুক্তিতে বিধায়কের কম্বলদান, সেই প্রশ্ন তুলছেন এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, এই গরমে গরিব মানুষের জন্য জল ও আচ্ছাদনের পরিবর্তে কোন যুক্তিতে কম্বল বিতরণের সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল বিধায়ক।

Recruitment Scam : শাহি সফর শুরুতে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে হঠাৎ CBI হানা! চলছে জিজ্ঞাসাবাদ
যদিও কম্বল বিতরণের মধ্যে কোনও ভুল দেখছেন তৃণমূল বিধায়ক। ফোনে এই সময় ডিজিটালকে বিমলেন্দু বলেন, “একটা ছোট বিষয় নিয়ে কেন এত বিতর্ক হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এটা অন্যভাবে বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন রয়েছে। শুধু কম্বলের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু সেখানে যে বাচ্চাদের জামাপ্যান্ট, বড়দের লুঙ্গি বিতরণ করা হল সেই নিয়ে কেউ কোনও কথা বলছে না।”

কম্বল বিতরণের কারণ হিসেবে আরও একতি তত্ত্বের কথা জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। তিনি বলেন, “আগুন লাগার কারণে আমার বিধানসভা কেন্দ্রের ১০ থেকে ১২টি বাড়ি পুড়ে গিয়েছে। তাদেরকেও আমার ডেকে নিয়ে গিয়েছিলাম। তাঁদের রাতে ঘুমনোর কোনও জায়গা নেই। এই কম্বল বিছিয়ে রাতে তাঁরা শুতে পারবে। সব কিছুই দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের যাঁদের কম্বল প্রয়োজন তাঁদের দেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে মানুষকে শীতবস্ত্র দেওয়ার যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিল ইদ উপলক্ষে তা দেওয়া হচ্ছে।”

নদিয়া উত্তর বিজেপি জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস এই নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ বলে প্রচলিত একটা কথা আছে, এখন তৃণমূলের অবস্থা খানিকটা সেই রকম। তৃণমূলের বিধায়ক, সাংসদ, পঞ্চায়েত প্রধানরা একের পর এক দুর্নীতিতে ফেঁসে যাচ্ছেন। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন, তাই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতেই এই কাজ করা হয়েছে। কখন কী করতে হবে, সেই বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে। ভোটাররা তৃণমূলের কাছে নেই, এটা একদম পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। বিদায় বেলার খড়কু়টো জড়িয়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *