Tapas Saha : নেতৃত্বের একাংশে অনাস্থা, দলনেত্রী ‘ভরসা’ তাপসের – recruitment corruption case trinamool mla tapas saha is also under the cbi watch


এই সময়, কৃষ্ণনগর:স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বর্তমানে জেলবন্দি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা নদিয়ার পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। সেই পলাশিপাড়ার প্রাক্তন এবং বর্তমানে তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা আবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের নজরে। মঙ্গলবার এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এরপর বুধবারই নিজের দলের একাংশ, এমনকী প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হলেন তাপস।

মানিকের প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, “ওঁর সঙ্গে কোনও দিনই আমার সুসম্পর্ক ছিল না। ওঁর টাকার অনেক উৎস ছিল। দলকে ম্যানেজ করে ওই কেন্দ্রে টিকিট পেয়েছিলেন।”

Recruitment Scam : বিভাসের আয়করের নথি চাইল সিবিআই
আবার দলীয় নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ, “আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে দলের উচ্চ নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। প্রাক্তন এক সেনাকর্মীকে দিয়ে হাইকোর্টে আমার বিরুদ্ধে মামলাও করানো হয়েছিল। দলেরই কেউ একজন বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করে আদালতে মিথ্যে মামলা এনেছে।”

যদিও তাপসের বক্তব্য, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরই আস্থা রাখছেন, নেতৃত্বের অন্য কারও উপরে নয়। তাপসের এই বক্তব্যকে সমর্থন করছেন না তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, “উনি যদি এ কথা বলে থাকেন, অত্যন্ত আপত্তিকর কথা বলেছেন। উনি কেন এমন বলছেন, জানি না। আইন আইনের পথে চলবে। উনি স্থানীয় স্তরের সমীকরণের ভিত্তিতে কাকে উদ্দেশ করে কী বলছেন, তা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই।’

Gopal Dalapati News : পানওয়ালা থেকে অংকের মাস্টার, নিয়োগ দুর্নীতিতে সেই গোপালের বাড়িতে CBI
এদিন তাপস বলেন, “সিবিআই তদন্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখা তদন্ত করে কিছু পায়নি। সিবিআইও পাবে না। তাপস সাহা কারও কাছ থেকে পাঁচ পয়সাও নেয়নি।” প্রবীর কয়াল নামে তাঁর কোনও আপ্ত সহায়ক ছিল না বলেও দাবি বিধায়কের।

তাঁর দাবি, “কলকাতা থেকে কোনও নেতার সুপারিশ ছিল, এই ছেলেটা (প্রবীর) গেল। একে দেখিস। তারপর সে এসেছিল। আমার অফিসে-বাড়িতে অনেকে যেমন যাতায়াত করে, সেরকম ভাবে সে হয়তো এসেছিল।”

অভিমানী কণ্ঠে তাপস বলেন, “এখন আমার বয়স ছেষট্টি। আর বেশি দিন হয়তো পৃথিবীতে থাকব না। দিদিকে অনুসরণ করেই জীবনটা কাটিয়ে দেবো। উনি ব্যতিক্রমী।”

Calcutta High Court Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে যোগ বিধায়ক তাপস সাহার? খতিয়ে দেখতে সিবিআইকে তদন্তভার বিচারপতি মান্থার
তবে দলীয় নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই তোপ দেগে তাপসের মন্তব্য, “চিঠি পাঠালেও উত্তর আসে না। দেখা করতে গেলে চাকরবাকর দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।” কুণাল অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে বলেছেন, “কারও অফিসে গেলে তাড়িয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি তৃণমূলের নেই। এখন পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকের সময়ে কেউ গিয়ে থাকলে কী হয়েছিল, সেটা আমি বলতে পারব না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *