Ice Fuchka : বরফ ফুচকায় মজে ব্যারাকপুর, সৌরভের ব্যবসায়িক বুদ্ধিতে অবাক নেটপাড়া – ice fuchka is being sold at barrackpore this summer


গরমে রীতিমতো নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। কিন্তু, গরমের জন্য কি বাঙালির ফুচকা প্রীতি কমে যাবে? তাও কি সম্ভব? গরম এবং ভোজন রসিক বাঙালির কথা মাথায় রেখেই দেদার বিক্রি হচ্ছে বরফ ফুচকা। এই গরমে ফুচকা খেতে গিয়ে যদি চমক মেলে, তাহলে মন্দ কী!

নেটপাড়ায় রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়েছে ব্যারাকপুরের এই স্পেশাল ফুচকা। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা ৪১ থেকে ৪২ ডিগ্রির থেকেও বেশি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এই ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল ফুচকা খেতেই প্রাণ জুড়াচ্ছে ভোজন রসিকদের। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ইতিমধ্যেই ভাইরাল ব্যারাকপুরের এই বরফ ফুচকা।

Trending News: ‘বোঝোই তো বাবু অনেক চাপ’! অকালেই বিদায়, আর মিলবে না মিঠুদার ফুচকা
প্রখর রোদে তৃষ্ণা মেটাতে যখন কুলফি, গোলা, লেবু জলের চাহিদা তুঙ্গে সেই সময়ব্যারাকপুর স্টেশনের ঠিক সামনেই ভিড়ে ঠাসা একটি ফুচকার দোকান। সাধারণ তেঁতুল জলের থেকে অনেকটাই আলাদা এই ফুচকার টকজল। আর সেই কারণেই ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তরা। কাঁচা আম ও তেঁতুলের মিশ্রণ দিয়ে এই ফুচকার জল তৈরি করা হয়। তার উপর থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বরফের কুচি। আলু মাখা ও বিভিন্ন রকমের মশলার মিশ্রণ বানিয়ে ফুচকায় পুর তৈরি করে তা পরিবেশন করা হয়। আর তাতেই কার্যত আপ্লুতফুচকাপ্রেমীরা।

Phuchka: হাঁ করলেই সোজা মুখে, আলু ভরে টক জলে চুবিয়ে মেশিন দেবে মুচমুচে ফুচকা!
এই ফুচকা দোকানের বিক্রেতা পবন কুমার সাউ জানান, অস্বস্তিকর এই গরম থেকে বাঁচার জন্যই তাঁর এই অভিনব চিন্তা ভাবনা। ইতিমধ্যেই তা গোটা বাংলায় সাড়া ফেলে দিয়েছে। ব্যারাকপুর স্টেশনের ট্রেন যাত্রী থেকে শুরু করে নিত্য পথযাত্রীরা, এমনকী দূর দুরান্ত থেকে মানুষ এই দোকানে ছুটে আসছেন বরফ ফুচকা খেতে।

Bangladeshi Street Food : মাত্র ২০ টাকায় অমৃত! দেদার বিকোচ্ছে লেবুর পিনিক
গরমকে উপেক্ষা করেইফুচকাপ্রেমীরাও লাইন দিচ্ছেন। অভিনব এই পন্থা অবলম্বন করায় বিক্রিও বেড়েছে আগের থেকে অনেকাংশে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়েছে এই অভিনব বরফ ফুচকার কথা। স্বাভাবিকভাবেই এই জনপ্রিয়তায় খুশি পবন কুমার সাউ।

তিনি বলেন, “আমি প্রথমে ভাবিনি যে এভাবে সাড়া পড়ে যাবে। সকলেই অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। আমিও অত্যন্ত খুশি। আগের থেকে বিক্রি অনেকাংশে বেড়েছে। সবথেকে বড় প্রাপ্তি গরমে মানুষ অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছে। ফুচকা খাওয়ার আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি যাতে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কোনও ক্ষতি না হয় সেই কারণে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তা সফল হতে দেখে আমাদের অত্যন্ত ভালো লাগছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *