গত সপ্তাহে ভরা কোটালের প্রভাবে দিঘার সমুদ্রে মরশুমের প্রথম জলোচ্ছ্বাস দেখা যায়। বৃহস্পতিবার তার তীব্রতা আরও বাড়ে। জলের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মেরিন ড্রাইভের একাংশ। যদিও প্রশাসনের একাংশের দাবি, বাঁধের ক্ষতি হয়নি, হয়েছে রাস্তার।
World Book Day 2023 : নিখাদ বইপ্রেমীরাও ঘুরে আসতে পারেন দিঘা থেকে!
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাঁথির মহকুমা শাসক শৌভিক ভট্টাচার্য, রামনগর-১ বিডিও লিপন তালুকদার, সেচ দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। সেদিন কাঁথির মহকুমা শাসক সংবাদমাধ্যমে জানান, পূর্ব মুকুন্দপুরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটিতে সমুদ্রবাঁধ মেরামতের কাজ করা হবে। বর্ষার আগে দ্রুত কাজ শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে। আপাতত মেরামতির কাজ করে পড়ে ডিপিআর অনুযায়ী কাজ করা হবে বলেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের একটি সূত্রে খবর, ক্ষতিগ্রস্ত অংশটিতে স্থায়ী ভাঙন রোধের জন্য সেচ দফতর ডিপিআর তৈরি করে। কিন্তু, কাজ এখনও অথৈ জলে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে মে মাসে ইয়াস সাইক্লোনে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল দিঘার বিস্তীর্ণ অংশ। তাজপুর, চাঁদপুর এলাকায় সমুদ্রের ধারে কংক্রিটের দেওয়াল গুঁড়িয়ে ধ্বংসস্তূপের আকার ধারণ করে। সেই সময় মেরিন ড্রাইভের এই অংশটি ভালোরকম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফের অমাবস্যার কোটালে জল ঢুকে রাস্তার বিস্তীর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি জলোচ্ছ্বাসে পূর্ব মুকুন্দপুর এলাকার মেরিনড্রাইভ উপচে জল গ্রামেও ঢুকে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পূর্ব মুকুন্দপুর এলাকায় খুব শীঘ্রই সমুদ্র বাঁধ মেরামত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তা না হলে আগামী বর্ষায় জলোচ্ছ্বাসে মেরিনড্রাইভের একাংশ সমুদ্রে তলিয়ে যেতে পারে। সে কারণে কংক্রিট দিয়ে দেওয়াল তুলে স্থায়ী ভাঙন রোধ করতে হবে। এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে আগেই সেচ দফতরের কাছে ডেপুটেশন জমা দিয়েছিল। তারপরেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গড়িমসির অভিযোগ তুলছেন স্থানীয়রা। দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের এক কর্তা বলেন, দ্রুত মেরামতির কাজ করা হবে।
