যদিও ইডির দাবি, ২০১৪ থেকে প্রায় ৪০০ কাঠার বেশী জমি কিনেছেন অনুব্রত মণ্ডল ও সুকন্যা মণ্ডল । তদন্তকারীদের অনুমান, গোরু পাচারের টাকা থেকে কেনা হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ জমি। সেই জমির নথিই এবার এল এই সময় ডিজিটাল এর হাতে ।
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৪০০ কাঠা জমির মধ্যে প্রায় ১২৮ কাঠা জমি রয়েছে সুকন্যা মণ্ডলের নামে বাকি পুরো জমি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের নামে। এছাড়াও সরকারি ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে ২০২১ সালে বেশ অনেকটাই জমি বিক্রি করেছেন তিনি। সরকারি ওয়েবসাইটের নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়ার ২ মাস আগে বেশ কয়েক কাঠা জমি বিক্রি করেছেন অনুব্রত মণ্ডল । অর্থাৎ ২০২২ এর মে মাসে জমি বিক্রি করেছেন তিনি। স্বাভাবিক ভাবেই উঠছে প্রশ্ন গোরু পাচার মামলায় সিবিআই এর চোখে ধুলো দিতেই কি হঠাৎ এই জমি বিক্রির হিড়িক?
গোরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত সুকন্যা মণ্ডল এই মুহূর্তে তাঁর বাবা অনুব্রত মণ্ডলের মতোই রয়েছেন তিহাড় জেলে। এই মুহূর্তে ১২ দিনের জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। ১২ মে পর্যন্ত তিহাড়েই থাকতে হবে তাঁকে। ইডির আইনজীবী আদালতে দাবি করেছিলেন, তদন্তে উদ্ধার হওয়া একাধিক গোরু পাচার নথিতে সুকন্যা মণ্ডলের নাম রয়েছে। তাই এখনও তাঁকে অনেক জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে জানিয়েছে ইডি।
