TMC CPIM Clash : সিঁথিতে পার্টি অফিস দখল ঘিরে TMC-CPIM বচসা-হাতাহাতি! থানায় অভিযোগ শাসক দলের – tmc and cpim supporters involved in clash in sinthi police station area


পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত কলকাতা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড। সোমবার পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় সিঁথি থানা এলাকার সেভেন ট্যাঙ্কস অঞ্চলে। মে দিবসের কর্মসূচি সেরে সিপিএম কর্মী সমর্থকরা এদিন তাঁদের পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করতে এলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে প্রথমে বচসা ও পরে ধাক্কাধাক্কি হয়। তা শেষমেশ হাতাহাতিতে পৌঁছায় বলে অভিযোগ। এরপরই সিপিএম কর্মী-সমর্থকরা পিছু হঠে। গোটা ঘটনায় ওই এলাকার প্রাক্তন সিপিএম নেতা দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে তৃণমূল। পালটা রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের উপস্থিতিতে কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ সিপিএমের।

Abhishek Banerjee : অভিষেক যেতেই TMC vs TMC! গোপন ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগে উত্তপ্ত সাহবেগঞ্জ-গোঁসানিমারি
সকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর গোটা ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সিঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর তথা শান্তনু সেনের স্ত্রী কাকলি সেনের নেতৃত্বে থানায় যান তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। অভিযোগ জানানোর পর সিপিএমের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলে এলাকায় মিছিলও করে তৃণমূল।

CPIM West Bengal : ‘মুরদ থাকলে করুক…’, এক সময়ের লাল দুর্গে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ CPIM নেতার
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর কাকলি সেন বলেন, “কোনও কিছু না জানিয়ে বহিরাগত সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের চেষ্টা করে সিপিএম। সেখানে আমাদের দলীয় পতাকা ও হোর্ডিং খুলে ছিঁড়ে ফেলা হয়। মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি খুলে ফেলা হয়। আমাদের কর্মী সমর্থকরা বাধা দিলে তাঁদের গালিগালাজ করা হয়। ২ নম্বর ওয়ার্ডে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে সিপিএমের সশস্ত্র বাহিনী ছিল। আমরা যাঁদের চিনতে পেরেছি তাঁদের নামে থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।”

TMC Vs ISF : নওশাদ সিদ্দিকির মঞ্চ বাঁধা নিয়ে TMC-ISF সংঘর্ষ, ফের উত্তপ্ত ভাঙড়
দমদমে জোড়া খুন মামলায় যাবজীব্বন সাজা খাটেন দুলাল। এক সময় সিঁথি এলাকার দাপুটে সিপিএম নেতা দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছুদিন আগে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। তাঁকে ফের দলে ফিরিয়ে নেওয়া হতে পারে এই নিয়ে জল্পনার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে।

ফোনে এই সময় ডিজিটালকে তিনি বলেন, “মে দিবসের দিন ওখানে আমরা পতাকা তুলব বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম। আমাদের অনেক কর্মী সমর্থক ছিল সেখানে। পতাকা তোলার পর তৃণমূল নেতারা বহিরাগতদের নিয়ে এসে সেখানে জড়ো হয়। পার্টির কর্মীদের মারধর করা হয়। আমার হাত ভেঙে গিয়েছে। এখন আমি হাত প্লাস্টার করাতে এসেছি। এইভাবে বামপন্থীদের আটকে রাখা যাবে না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *