মণিপুরের ইম্ফলে ডাক্তারি পড়তে সিকিম থেকে গিয়েছিলেন। সেখানে ঝামেলা শুরু হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পড়ুয়ারা। চোখের সামনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি দেখেছেন সকলে। এমন অবস্থা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ুয়ারা। অবশেষে সিকিম সরকারের তরফে রাজ্যের পড়ুয়াদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়। সিকিম সরকারের তরফে বিমানে পড়ুয়াদের শিলিগুড়ি নিয়ে আসা হয়। এরপরই বাসে শিলিগুড়ি থেকে সিকিম পাঠানো হয়েছে।
সোমবার শিলিগুড়ি থেকে তিনটি বাসে ৮৪ জন পড়ুয়ারা সিকিমে বাড়িতে ফিরেছেন। এরমধ্যে দুটি বাস গ্যাংটক ও একটি বাস জোরথাং গিয়েছে। অন্যান্য পড়ুয়ারা তাঁদের অভিভাবকদের সঙ্গে ফিরে গিয়েছেন বলে খবর। এ দিন শিলিগুড়িতে পড়ুয়ারা মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনান । সেখান চোখের সামনে আগুন জ্বলতে দেখা, মুহূর্মুহ গুলির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান পড়ুয়ারা।
সিকিমের এক পড়ুয়া রিচা শর্মা বলেন, ”কয়েকদিন আগে থেকে পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে। কলেজ বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের বাইরে যেতে মানা করা হয়। এরপরই অগ্নিগর্ভ হতে থাকে পরিস্থিতি। সেখানে রাতে গুলির আওয়াজ পাওয়া যায়। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে যোগাযোগ ব্যাহত হয়। হস্টেলেই সকলে ছিলাম। খুব চিন্তায় ও আতঙ্কে ছিলাম। এরপর সিকিম সরকারের তরফে আমাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানানো হয়। সুরক্ষিতভাবে ফিরতে পেরেছি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কলেজ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।”
