কয়েক সপ্তাহ আগে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ছোট্ট কাগজ প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। দেখা যায়, কাগজটি আদতে সুজন চক্রবর্তীর একটি লেটারহেড। তৎকালীন পরিবহণমন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীকে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা রয়েছে, ‘কথামতো পত্রবাহককে পাঠালাম। প্র্যাকটিক্যাল টেস্টে পাশ করেছে। করে দিতে হবে।” ০৫.০৫.০৭ তারিখ সহ সুজন চক্রবর্তীর সই রয়েছে। যদিও এই চিঠি বা চিরকুটের সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল। তারপর থেকে বারবার উঠে আসে চিরকুট প্রসঙ্গ।
কী বলছেন সুভাষ চক্রবর্তীর স্ত্রী?
এই সময় ডিজিটালের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘কার মাথা থেকে চিরকুটের বিষয়টি বেরিয়েছে জানি না, তবে শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, চাকরি চুরি হয়েছে, সেখানে যদি ধরেওনি একটা চিরকুট পাওয়া যায়, তা নিয়ে এত বড় দুর্নীতি ঢাকা যায় না।’ তাঁর সংযোজন, ‘চিরকুট নিয়ে যে বলা হচ্ছে তা আদতে অ্যাপয়নমেন্ট লেটার। তার উত্তর আগেই সুজনের স্ত্রী মিলি চক্রবর্তী দিয়েছেন। তাই নিয়ে আমার কিছু বলার থাকতে পারে না। ‘
রমলা বলেন, ‘আমার একটাই প্রশ্ন, যদি কোথাও কারও একটা চাকরি বাম আমলে সুপারিশে হয়েও থাকে সেটা যোগ্য ব্যক্তিকে বঞ্চিত করে টাকার বিনিয়মে হয়েছে কি না তা দেখতে হবে। হয়নি। বামফ্রন্ট সরকারের সময় এমন চিরকুটে চাকরি হয়েছে বলে তো আমার জানা নেই।’
সুভাষবাবুর সঙ্গে চিরকুটের কি যোগাযোগ? কেন তাঁর নাম ওঠে আসছে? রমলা বলেন, ‘চিরকুটের সঙ্গে কী যোগাযোগ জানি না, এসব করলে কি বাম আমলে সংবাদ মাধ্যম ওঁকে ছেড়ে দিত? কখন ছেড়েছে বলে তো আমার জানা নেই।’
