সমতলে অর্কিড চাষ নিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। এর আগেও অনেকেই অর্কিড চাষ করলেও সাফল্যের মুখ দেখতে পারেননি। যেকারণে অর্কিড চাষ নিয়ে প্রথম দিকে চিন্তায় ছিলেন তিনি। যদিও এখন অর্কিডের ব্যাপক ফলনে লাভের মুখ দেখছেন।
পলি হাউস তৈরি করে সেখানে অর্কিড চাষ করা হচ্ছে। একটিও অর্কিড গাছ মরেনি বলে জানালেন উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায় । যা জেনে কৃষি বিশেষজ্ঞরাও অবাক হয়েছেন। উৎপল বাবু জানান, এই অর্কিড আমরা কার্ড ফ্লাওয়ার হিসেবে বিক্রি করে থাকি। এখন শিলিগুড়িতেও অর্কিড চাষ সম্ভব। শুধুমাত্র ফুল চাষ সম্পর্কে জানা থাকলে সফলভাবে এই ফুল চাষ করা যাবে এখানে। একটি অর্কিড প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা করে বিক্রি হয়। হিসেব করলে ২৬ হাজার ফুল বিক্রি হলে ঘরে আসবে পাঁচ লাখের বেশি। নাগাল্যান্ডে এই অর্কিডের চাহিদা অনেক বেশি বলে জানান উৎপল।
আগামীতে এই অর্কিড বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে শিলিগুড়ি পুষ্প মেলাতেও অর্কিড গাছের বিভিন্ন প্রজাতি আসে।কৃষি বিশেষজ্ঞদের কথা, বর্তমানে অর্কিডের খুব ভালো বাজার রয়েছে। ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। অর্কিড দামী ফুল হলেও চাহিদায় কোনও খামতি নেই। শিলিগুড়িতেও এখন বিজ্ঞানসম্মতভাবে অর্কিড চাষ করে সাফল্য আসছে।
