Barrackpore Shootout : ব্যারাকপুরের ঘটনায় চরম আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা, শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক – jewellery businessman society call twelve hours strike to protest barrackpore shootout incident


ব্যারাকপুরে সোনার দোকানের ডাকাতির ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী সংগঠন। ঘটনার প্রতিবাদে বনধ ডাকল ব্যবসায়ী সংগঠন। যদিও ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে ব্যারাকপুর পুলিশ।

Barrackpur Shootout: গ্রেফতার ২, ব্যারাকপুর শ্যুটআউট কাণ্ডে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে জানাল পুলিশ
জানা গিয়েছে, আগামীকাল ব্যারাকপুর এবং পলতায় বারো ঘণ্টার সমস্ত সোনার দোকান বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে। উত্তর আনন্দপুরী ও দক্ষিণ আনন্দ পুরীর ব্যবসায়ীরা এই বন্ধে শামিল। ব্যারাকপুর স্বর্ণ শিল্পী সমিতির প্রেসিডেন্ট গোবিন্দ পাল জানান, বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীরা ব্যারাকপুর সিপি অফিস যায়। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার দাবি তুলে ধরা হয়।

Barrackpore Shootout : ‘আমি বাকরুদ্ধ…’, ব্যারাকপুরের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েও পুলিশের তৎপরতার প্রশংসা রাজের
সমিতির তরফে জানানো হয়েছে, মৌন মিছিল করার অনুমতি নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিবাদ জানানো হবে। এই কর্মসূচির অনুমতির জন্যই সিপি অফিস গিয়েছিল ব্যবসায়ী সমিতি তরফ থেকে। এরপর টিটাগড় থানা অনুমতি নেয়। পুলিশের অনুমতি নিয়ে আগামী বনধ ডাকা হয়েছে ব্যারাকপুর তৎসহ পলতা।
ব্যারাকপুর এবং পলতা সমিতির সভাপতি হিসেবে তিনি বলেন, “আমরা আগামীকাল বনধ ডেখেছি। আমাদের সঙ্গে দক্ষিণ আনন্দপুরী ও উত্তর আনন্দপুরী ব্যবসায়ী সমিতি যোগাযোগ করেছে। তৎসহ এরাও আমাদের সঙ্গে সামিল হয়েছে।”

D Bapi Biriyani-তে গুলির ঘটনার সঙ্গে ব্যারাকপুর শ্যুটআউটের যোগসূত্র আছে! বিস্ফোরক অর্জুন সিং
পাশাপাশি, বঙ্গীয় স্বর্ণ শিল্পী এবং বঙ্গীয় স্বর্ণ শিল্পী বাঁচাও কমিটি এরাও এই বনধের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা এই ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্কিত। তাঁরা বলেন, “আমরা ভীষণ আতঙ্কের মধ্যে আছি আমরা শুধু না ব্যবসায়ী তৎসহ এলাকাবাসী আতঙ্কে আছে।” এই ধরনের একটা ঘটনা ভর সন্ধ্যায় এত জনসমাগমের মধ্যেও কী করে ঘটল? প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

Raj Chakraborty: ‘আমাদেরও তৎপর হতে হবে’, ব্য়ারাকপুরে পুলিশকে সার্টিফিকেট!

এই ধরনের ঘটনা ব্যারাকপুরে পূর্বে কখনও ঘটেনি বলে মনে করছেন অনেকে। এক ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি, ধিক্কার জানাচ্ছি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। একজন অপরাধীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের দাবি সকল দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে।” ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেক ব্যবসায়ীরা। পুলিশ সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতো না বলে মনে করছেন অনেকেই।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সন্ধ্যায় ব্যারাকপুর রেলস্টেশন ১৪ নং গেটের কাছে একটি সোনার দোকানে ডাকাতির নামে হামলা চালায় কিছু দুষ্কৃতীরা। ডাকাতিতে বাধা দেওয়ার কারণে গুলি চালায় তারা। দোকানের মালিক নীলরতন সিংহয়ের ছেলে গুলিতে মারা যায়। ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *