Presidency University : টয়লেটে লুকিয়ে ছাত্রীর ছবি: কড়া ব্যবস্থা নিল প্রেসিডেন্সি – presidency university has taken strict action in of complaint of taking pictures of female students in toilet


এই সময়: মেয়েদের শৌচালয়ে এক ছাত্রীর ছবি-ভিডিয়ো তোলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কঠোর পদক্ষেপ করল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়। অভিযুক্ত ছাত্রকে কার্যত বহিষ্কারই করা হলো। প্রেসিডেন্সি সূত্রে খবর, ওই পড়ুয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কড়া মনোভাব জানানোর পর তিনি নিজের ভর্তি নিজেই বাতিল করিয়েছেন। কিছুদিন আগে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠায় ইংরেজির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয় প্রেসিডেন্সি।

কিন্তু এমন ঘটনা প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে কেউ এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তাঁদের বক্তব্য, যা সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা অভিযোগকারী এবং অভিযুক্তকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে নতুন করে কিছু বলার নেই।

Justice Abhijit Gangopadhyay : যৌন হেনস্থা বিরোধী আইনের অপব্যবহার, সরব বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়
দিন কয়েক আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরোজিও ভবনে একটি মহিলাদের শৌচালয়ে যান এক ছাত্রী। কিছুক্ষণ পর খেয়াল করেন, পাশের শৌচালয় থেকে কেউ মোবাইলে তাঁর গোপন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করছেন! পার্টিশন তুলে শৌচালয়টিকে ছেলে ও মেয়েদের জন্য ভাগ করা হয়েছে। কিন্তু পার্টশনটি তেমন উঁচু না হওয়ায় সহজেই ছবি তোলা যাচ্ছিল বলে অভিযোগ।

ঘটনায় আতঙ্কিত ওই ছাত্রী প্রথমে সহপাঠীদের, পরে কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পড়ুয়ারাই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করেন। কিন্তু তাঁর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে দেখা যায়, ফোনের গ্যালারির সবই ডিলিট করা হয়েছে। চ্যাটবক্স ও সামাজিক মাধ্যমের প্রোফাইল ঘেঁটে অবশ্য দেখা যায়, প্রেসিডেন্সির একাধিক ছাত্রীর আপত্তিজনক ছবি, ভিডিয়ো, লেখা ইত্যাদি শেয়ার করেছেন অভিযুক্ত।

CV Ananda Bose Bratya Basu : আনন্দের শো-কজের মুখে বহু উপাচার্য, ক্ষুব্ধ ব্রাত্য
এই ঘটনায় তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গড়ে বিশ্ববিদ্যালয়। প্রেসিডেন্সির ছাত্রী বরিষণ রায়ের কথায়, “নির্যাতিতাকে মৌখিক ভাবে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ওই কমিটি। অভিযুক্ত ছাত্র নিজের ভর্তি নিজেই বাতিল করেছেন বলেও জানানো হয়েছে।”

অতীতে মহীতোষ মণ্ডল নামে ইংরেজির এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেয় প্রেসিডেন্সি। পরপর দু’টি ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ প্রসঙ্গে কী বলছেন পড়ুয়ারা? বরিষণের বক্তব্য, “অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোরতম সাজা নেওয়াই উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতিক্রমী কিছু করছে না। কিন্তু এমন অপরাধ আটকাতে হলে ক্যাম্পাসে যে সব কর্মসূচি নেওয়া দরকার, কর্তৃপক্ষ তা করছেন না।”

Calcutta University Admission 2023 : ঝক্কির দিন শেষ, এবার কেন্দ্রীয় পোর্টালের মাধ্যমেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কলেজে ভর্তি সুবিধা
এসএফআইয়ের তরফে ঋষভ সাহা বলেন, “দৃষ্টান্তমূলক সাজায় কঠোর বার্তা অবশ্যই যাচ্ছে। কিন্তু এই ঘটনার পর নির্যাতিতাকে আলাদা করে কোনও মানসিক সহায়তা করা হয়নি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *