অর্ণবাংশু নিয়োগী: নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করলে ভাল হয়। কমিশনকে প্রস্তাব হাইকোর্টের। প্রার্থীদের বিষয় নয়, ভোটারদের বিষয়ও মাথায় রেখে রাজ্য নিজের মত বাহিনী দেবে। ধরুন কলকাতা থেকে ৮০ শতাংশ পুলিস তুলে নিয়ে অন্য জেলায় পাঠালেন। তাহলে কলকাতায় এখানে কি হবে? কমিশনকে প্রশ্ন বেঞ্চের। আদালত আরও জানায়, অতীতের ঘটনার কথাও ভুলে গেলে চলবে না। কমিশন পুরো বিষয়টা হাইজ্যাক করে নিজেদের হাতে নিয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ আছে। কে জেলায় ঢুকবে না, উনি বিডিও থাকবে না, উনি এসপি থাকবে না। এমন অনেক ক্ষমতা আছে।
আরও পড়ুন, Panchayat election 2023: মনোনয়নের দিন কি বাড়ছে? পঞ্চায়েত ভোট পিছিয়ে ১৪ জুলাই?
প্রধান বিচারপতি বলেন, হনুমান জয়ন্তীর সময় আমরা বলেছিলাম সাধারণ মানুষের মনোবল বাড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে। তারা রাজ্যকে সহযোগিতা করতে এসেছিল। এ ক্ষেত্রেও কমিশন চাইলে সহযোগিতা চাইতে পারে। কমিশন ৬ থেকে ১০টি জেলাকে স্পর্শকাতর ঘোষণা করেছে। প্রয়োজনে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখতে বলে আদালত।
বিচারপতির বক্তব্য, সিভিক কিন্তু পুলিস নয়। তারা পুলিসকে সহযোগিতা করবে। কিন্তু তারা কিছুই করতে পারবে না। ৩-৪ মাসে কলকাতা হাইকোর্ট ১২ টি মামলার নির্দেশ দিয়েছে। যেটা আইন শৃঙ্খলা সঙ্গে যুক্ত। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কমিশনকে চিন্তা করতে হবে এবং আইন শৃখলা সংক্রান্ত নির্দেশ গুলো মাথায় রাখতে হবে। স্পষ্ট জানায় আদালত। আপনারা লড়াই করুন সেটা নিয়ে আদালত চিন্তিত নয়। কিন্তু ভোটারদের কথা আদালত ভাবছে।
রাজ্যের আইনজীবীর দাবি, এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে কোনও অভিযোগ নেই। মনোনয়ন সময়সীমা কম এই নিয়ে সোজা আদালতে এসেছে। যেহেতু এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ নেই। তাহলে ভোটের দিন পিছনোর কী কারণ থাকতে পারে! মনোনয়ন পত্র পাওয়া যাচ্ছে এই মর্মে কোথাও কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি কেউ। যদিও আদালত বলেন, এই সময় কমিশন যা বলবে সেটা রাজ্য মানতে বাধ্য। এই সময় রাজ্যকে পরিকাঠামোগত সাহায্য করতে হবে। সরকারের আইনজীবীর বক্তব্য, রাজ্য সেটা পারছে কিনা সেটা কমিশন বলবে। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক দল বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করা রাজ্যের কাজ নয়।
পঞ্চায়েত ভোটেও বিশেষ পর্যবেক্ষক জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের। ডিজি (ইনভেস্টিগেশন)-কে নিয়োগ এনএইচআরসি-র। স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ নজর। উন্নাও-হাথরসের সময় কোথায় থাকে কমিশন। তোপ তৃণমূলের।
আরও পড়ুন,
