Panchayat Election Calcutta High Court: মাত্র সাতটা জেলায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী? পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের – political party leaders reacts after calcutta high court verdict on panchayat election case


পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে কোনও হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। মনোনয়ন জমার মেয়াদ না বাড়ালেও বিরোধীদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি একাংশ মেনে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট বাংলার স্পর্শকাতর সাত জেলায় বাহিনী মোতায়নের নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে স্পর্শকাতর অঞ্চলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেই ভোটগ্রহণের পরামর্শ আদালতের। পঞ্চায়েত নিয়ে কোর্টের এই রায়ের পর রাজনৈতিক মহলে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া।

West Bengal Panchayat Election : ৭ জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী, বাড়ছে না মনোনয়নের সময়সীমা, পঞ্চায়েত নিয়ে বড় রায় হাইকোর্টের

পঞ্চায়েত ভোটে নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় আদালতের রায়ের পর বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ”কোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে কিছু বলার নেই। তবে আমার একটাই বলা কথা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের যে সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে তা তারা পুরোপুরি প্রয়োগ করছে না। যেভাবে নির্বাচন হচ্ছে, কটা জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে তা কমিশনের হাতে। হাইকোর্ট সাতটা জেলা বলেছে কিন্তু এমন কোনও জেলা আছে কী যেখানে তৃণমূলের আক্রমণ নেই!” রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট অসন্তুষ্ট গেরুয়া শিবির।

West Bengal Panchayat Election: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক, পাঁচ জেলাকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত কমিশনের

একইভাবে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন সিপিআইএম নেতা সুজন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ”মনোনয়নের তারিখ নিয়ে আদালত জানিয়েছে এটা তাদের বিষয় নয়। বিষয়টি তারা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপরেই ছেড়েছেন। আমরা তো মানুষের সুবিধার্থের কথা ভেবেই মনোনয়নের জন্য বাড়তি দিন চেয়েছিলাম। সেটা এখন আর করে কোনও লাভই নেই। আমরা যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করিনি। কিন্তু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল হিসেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণে আমরা সহমত।”

WB Panchayat Election: ‘ভোটে সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবহার নয়, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় অপর্যাপ্ত’, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপর কলকাতা হাইকোর্টের ভরসা রাখার বিষয়টিকে সাধুবাদ জানান তৃণমূলের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। যদিও তিনি প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর খরচ খরচা নিয়ে। তৃণমূল নেতা বলেন, ”যবে থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে, তবে থেকে নানাভাবে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে আসছিল বিরোধীরা। কলকাতা হাইকোর্ট সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপরেই আস্থা রাখল। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশটি অস্বচ্ছ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসা, খরচ খরচা নিয়ে কোনও স্পষ্ট নির্দেশ নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথা থেকে আসবে, কত দিনের জন্য আসবে তা অস্বচ্ছ। বিষয়টি দেখবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।”

Panchayat Election Candidate Eligibility : সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে রেশন দোকান মালিক, এই ১৮ পেশায় যুক্তদের পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হওয়া হবে না

হাইকোর্টের নির্দেশের পরে রাজ্যে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দাবির একাংশ পূরণ হওয়া সত্ত্বেও মনোনয়নের অশান্তি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ বিরোধীদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *