Chiranjeet Chakraborty: ‘রাজ্যপালের একটু বুঝে চলা উচিত…’, রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত আবহে মন্তব্য চিরঞ্জিতের – chiranjeet chakraborty tmc mla comments on governor cv ananda bose election23


ধনখড় উত্তর পর্বেও রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাতের আবহ। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গেও সংঘাতের সূত্রপাত। কমিশনারের জয়েনিং লেটার ফেরত পাঠানোই হোক বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি। এর জেরেই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। তাঁকে দেখানো হয় কালো পতাকা। এই নিয়ে সরব হয়েছেন বারাসতের তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী।

বারাসতে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনে এসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে বিশেষ পরামর্শ বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর। তিনি বলেন, ‘রাজ্যপালের একটু বুঝে চলা উচিত। ছাত্ররাও অবুঝ হন। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসেরও বোঝা উচিত কী কী করলে ছাত্ররা কালো পতাকা দেখাবে না। যে যেরকম করবে, সেরকম প্রতিক্রিয়া পাবে।’ যদিও বিধায়কের মতে, কাউকেই কালো পতাকা দেখানো উচিত নয়। যা হচ্ছে, ঠিক হচ্ছে না।

Chiranjeet Chakraborty : ‘রাজ্যপাল একটা ট্র‍্যাপে পড়ে গিয়েছেন…তার চাপ এসে গিয়েছে!’ মন্তব্য চিরঞ্জিতের

এখানেই শেষ নয়, তারকা বিধায়কের কথায়, রাজ্যপালের সঙ্গে মতের মিল হচ্ছে না রাজ্য সরকারের, তাই এই সংঘাত। তিনি বলেন, ‘কেমন একটা এলোমেলো হচ্ছে সব কিছু।রাজ্যপাল কখনও বলছে চাকরি খেয়ে নেবেন ,আবার পরে দেখছি সে চাকরিতে রয়েই গিয়েছে। তাহলে কমিশনারের জয়েনিং লেটার কেন ফেরত পাঠালেন! সেটাই বা এখন কোথায় আছে জানি না। রাজ্যপাল যেটা করছে সেটা ঠিক নয়। কিছু করতে গেলে ভেবে চিন্তে তবে পদক্ষেপ করা উচিত।’

দু’পক্ষের কথা শুনেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী মনে করে করেন। পাশাপাশি, গিয়াসউদ্দিন সহ বিধায়কদের দলের বিরুদ্ধে কথা বলা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন তিনি। এবছর পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল আগের থেকে ১৭ শতাংশেরও বেশি ভোট পাবে বলে তাঁর দাবি।

Saugata Roy : সংবিধানের ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছেন রাজ্যপাল: সৌগত রায়

অন্যদিকে, সায়নী ঘোষকে ইডির তলব প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘এতকিছুর খোঁজ রাখি না,কী কারণে ডেকেছে বলতে পারব না,হয়তো তাদের প্রয়োজন হয়েছে, তাই ডেকেছে। তাদের হয়তো মনে হয়েছে, তাদের হাতে ক্ষমতা,তাই যা ইচ্ছা করতে পারে। যাকে ইচ্ছা ডাকতে পারে।’ কেন্দ্রীয় সংস্থা নিয়ে এমনটাই মনে করেন বিধায়ক। পাশাপাশি, তাঁর প্রশ্ন,’নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যে অভিযোগ করা হচ্ছে,অপর পক্ষ থেকে কেউ কি দাবি করেছেন যে ওই চাকরিটার জন্য সে টাকা দিয়েছে? সেটাতো কেউ স্বীকার করবে না।’

Panchayat Election 2023 : রাজীব এবং ভোটের ভবিষ্যতে জল্পনা
CV Ananda Bose : উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপালকে কালো পতাকা! ব্যাপক বিক্ষোভ TMCP-র
চিরঞ্জিৎ বলেন, ‘শুধুমাত্র সায়নী ঘোষ নয়,এখনও পর্যন্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে যাদেরকে ধরেছে,তাদের ক্ষেত্রে কেউ বলেছে যে তাদেরকে টাকা দিয়েছে? কেউ তো বলবে যে আমার টাকা চুরি হয়েছে। নইলে এই কেস দাঁড়াবে কী করে?’ প্রশ্ন বিধায়কের। ‘তদন্ত তদন্তের মত চলছে,দুবছর চলছে,চার বছর চলবে,কিন্তু কেসটা কী ভাবে দাঁড়াবে? যাদের টাকা নিয়েছে তাদেরকে তো বলতে হবে,যে আমাদের টাকা চুরি হয়েছে,বা আমরা টাকা দিয়েছি।’ এইদিন এই অনুষ্ঠানে বারাসতের সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও উপস্থিত ছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *